পঞ্চম শ্রেণির বন্ধুরা, তোমরা
ইতোমধ্যে
নিশ্চয়ই হাতে পেয়েছো নতুন বছরের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার নতুন সিলেবাস। নতুন এ সিলেবাসে
ব্যাপক
পরিবর্তন
এসেছে।
এসেছে
নতুনত্ব।
ট্রাডিশনাল ধারার বিপরীতে সৃজনশীলতা বিকাশে নতুন প্রশ্ন কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। কমিয়ে আনা হয়েছে গাইডবই নির্ভরশীলতা । গাইডবই ছোট্ট সোনামণিদের সৃজনশীল ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দেয়। শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য হতে দূরে সরিয়ে রাখে । নিজস্ব বুদ্ধি বিকাশে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। তাই কোমলমতি শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমরা গাইডবইয়ের পরিবর্তে বেশি বেশি মূলবই পড়ো। দেখবে পরীক্ষায় আসা সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর তুমি করতে পারবে। মূলকে শক্ত করে ধরো। আগাছাকে উপড়ে ফেলো । পড়ো পড়ো আর পড়ো । মূল বিষয়কে বারবার পড়ো। কোনো বিষয় যদি তোমার বোধগম্য না হয় তাহলে সে বিষয়টি শ্রেণিশিক্ষা হতে আয়ত্ত করবে। শিক্ষকের কাছ থেকে জেনে নিবে। এতে কোনো শিক্ষক বিরক্তি বোধ করেন না । বরং তোমার প্রতি তোমার শিক্ষকের আরো ভালো ধারণা হবে। এবার তোমাদের পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক ৪০, শূন্যস্থান পূরণ ১০, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১০ অথাত্ ৬০ নম্বরের প্রশ্ন সংক্ষিপ্ত আকারে হবে।সুতরাং তোমরা বুঝতেই পারছো গাইডবইয়ের প্রয়োজনীয়তা একেবারেই নেই। নিজের মেধাকে সম্মান জানাও। মূলবইয়ের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি লাইন ভালো করে পড়ো। তাহলে দেখবে তুমি অবশ্যই পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বরের উত্তর করতে পারছো। প্রাথমিক স্তরে মূলবইকে অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়। তুমি যদি মূলবইয়ের কথাগুলো উত্তর করার সময় সাজিয়ে গুছিয়ে লিখতে পারো তাহলে গাইডবইয়ের চেয়ে অবশ্যই অধিক নম্বর পাবে। পুরো বইটি তোমার কব্জায় না থাকলে তুমি পরীক্ষায় পূর্ণ নম্বরের উত্তর করতে পারবে না।
আর এটা তখনি সম্ভব যখন পুরো বইটি তোমার আয়ত্তে থাকবে। আর পুরো বইটি আয়ত্তে রাখার একমাত্র পথ হলো মূলবই বেশি বেশি অনুশীলন করা। সৃজনশীল পদ্ধতিতে কেন গাইড বইয়ের প্রয়োজন নেই তার বিশ্লেষণ আমরা পরে করব।
