গবেষণা রিপোর্ট

ধূমপায়ীদের কোলন ক্যান্সারে মৃত্যুঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৫৫
ধূমপানের ক্ষতির শেষ নেই। এসব জানার পরও ধূমপায়ীরা এসব তেমন আমলে নেন না। তবে এবার ধূমপানের ক্ষতি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছে সিয়োটেলের ফ্রেড হাসিসন্স ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টারের গবেষকগণ। গবেষণায় বলা হয় ধূমপায়ীদের কোলন ক্যান্সারের মৃত্যুঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। এমনকি কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের সার্জারির মাধ্যমে ক্যান্সারে আক্রান্ত কোলনের অংশ ফেলে দিলেও পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে মৃত্যুঝুঁকি থেকে যায়। প্রধান গবেষক ও লিড অথার ডা. আমান্দা পিপস এই নতুন গবেষণা সম্পর্কে বলেন, গবেষণার এই ফলাফলে ধূমপান কেন ছাড়বেন তারপক্ষে এটা একটা জোরালো যুক্তি। এ ব্যাপারে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্য হচ্ছে, সিগারেটের মধ্যে এমন কিছু মারাত্মক ক্ষতিকর উপাদান থাকে যা স্যালাইভা বা লালার সঙ্গে মিশ্রিত হয়ে কোলন বা অন্ত্রনালীর ক্যান্সারসহ অন্যান্য ক্যান্সার সৃষ্টি করে। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির মতে ২০১৩ সালে লক্ষাধিক লোক কোলন ক্যান্সারে শনাক্ত হবে শুধু আমেরিকায় এবং তন্মধ্যে অন্তত ৪০ হাজার কোলন ক্যান্সারের রোগী মারা যাবে। আর ধূমপায়ীদের কোলন ক্যান্সারে মৃত্যুহার সবচাইতে বেশি। গবেষণা রিপোর্টে আরো উল্লেখ করা হয়, ধূমপায়ী কোলন ক্যান্সারে আক্রান্তদের সার্জারি করার পরও পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে শতকরা ২৩ ভাগের মৃত্যু ঘটে অথবা ক্যান্সার পুনরায় দেখা দেয়। জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজিতে প্রকাশিত নিবন্ধে আরো উল্লেখ করা হয়, কোলন ক্যান্সারে আক্রান্তরা ধূমপায়ী হলে তাদের জটিলতা ও ক্ষতি গবেষকদের কল্পনারও বাইরে। তাই গবেষক ও লিড অথার ডা. মিস আমান্দা পিপস অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে উল্লেখ করেন যাদের কোলন ক্যান্সার বা কোলনে টিউমার বা গ্রোথের ঝুঁকি রয়েছে তাদের কোনভাবেই ধূমপান করা উচিত নয়। এতে একদিকে ক্যান্সারে ঝুঁকি যেমন বাড়ে তেমনি আক্রান্তদের জটিলতাও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।