লংমার্চে বিএনপি জামায়াতের মদদ রয়েছে :সুরঞ্জিত

আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:১৮
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, হেফাজতে ইসলামের লংমার্চে বিএনপি-জামায়াতের প্রত্যক্ষ মদদ রয়েছে। আগামী নির্বাচন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি-জামায়াত চক্র লংমার্চের নামে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। ধর্মকে রাজনীতিতে টেনে নিয়ে এসে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সরকার সহযোগিতা করবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কারণ জনগণের জানমাল রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। গতকাল শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে নৌকা সমর্থক গোষ্ঠী আয়োজিত প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান স্মরণে এবং ‘হেফাজতে ইসলামের আড়ালে জামায়াত-শিবির ও বিএনপি’র দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, জামায়াত-বিএনপিকে রক্ষায় হেফাজতে ইসলাম অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ‘আলেম’ বলে তাদের ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, জামায়াত-শিবির দেশের আইন মানে না। তারা রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ইসলাম রক্ষার জন্য হেফাজতকে দায়িত্ব দিয়েছে কে? মহান আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘কোরান ও ইসলামকে আমি রক্ষা করবো’। ইসলামকে রক্ষা করার জন্য কারো উপর দায়িত্ব দেয়া হয়নি। ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান একজন সত্ ও স্বচ্ছ রাজনীতিক ছিলেন। তার মতো একজন রাজনীতিকের দেশে প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, সংবিধান কোন গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দেয় না। কিন্তু গণতন্ত্রের নামে দেশকে ধ্বংস করার চেষ্টাকে সংবিধান মেনে নেয় না। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ফয়েজউদ্দিন মিয়া, নৌকা সমর্থক গোষ্ঠীর নেতা হুমায়ুন কবির মিজি, মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক বিএম রশিদ প্রমুখ।