দেশীয় শিল্প সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন এ খাতের উদ্যোক্তারা। গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে প্রাক বাজেট আলোচনায় দেশীয় উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। আলোচনায় অংশ নিয়ে মোটর সাইকেল উত্পাদকদের সুরক্ষা দেয়ার স্বার্থে আমদানিকৃত মোটর সাইকেলে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়। এতে বলা হয়, সম্পূর্ন প্রস্তুত মোটর সাইকেলের (সিবিইউ) সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান ৪৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ এবং আধা প্রস্তুত (সিকেডি) মোটর সাইকেলের ক্ষেত্রে এ শুল্ক বিদ্যমান ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়। এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে গতকাল এ আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর সদস্য (শুল্ক নীতি) ফরিদ উদ্দিন। এতে অটোমোবাইল ও ট্রান্সপোর্ট এবং ওষুধ, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক খাতের ৩৩ টি সংগঠনের সাথে আলোচনা অনুষ্ঠানের কথা ছিল। তবে আলোচনায় অংশ নেয় প্রায় ১৫টি সংগঠন।
তবে আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ মোটরসাইকেল ডিলার্স এ্যাসোসিয়েশন মোটর সাইকেল আমদানির উপর বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) প্রত্যাহার করা এবং সম্পূরক শুল্ক বিদ্যমান ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়। টায়ার আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক বিদ্যমান ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোটার্স এন্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা) গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে সিসি স্ল্যাব বিদ্যমান ৬ স্তর থেকে কমিয়ে ৪ স্তর করা, গাড়ির মূল্যায়ন যৌক্তিক করা, মাইক্রো আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেয়া হয়।
আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেয় বাংলাদেশ কার্গো ভ্যাসেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ অটো স্পেয়ার পার্টস মার্চেন্ট এন্ড ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনবিআর সদস্য বশির উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রধান বাজেট সমন্বয়কারী আল আমিন প্রামাণিক, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আব্দুল হক প্রমুখ।
