জনশক্তি রফতানি বন্ধ করে দিচ্ছে বায়রা

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৪৯
জনশক্তি রফতানি সংক্রান্ত সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ (বায়রা)। এর মাধ্যমে কার্যত জনশক্তি রফতানির ক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে বয়কট করলো সংগঠনটি। সরকারিভাবে জনশক্তি রফতানিতে বায়রার পক্ষ থেকে বাধা দেয়া হবে না, তবে সংগঠনটির সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে। জনশক্তি রফতানি নিয়ে সরকারের সঙ্গে সকল আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় আজ সোমবার থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করছে সংগঠনটি। গতকাল রবিবার দুপুরে ইস্কাটনে বায়রার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংগঠনের সভাপতি শাহজালাল মজুমদার। মহাসচিব আলী হায়দার চৌধুরীসহ সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। শাহজালাল মজুমদার বলেন, ‘বায়রাকে পাশ কাটিয়ে সরকার জিটুজি’র (গভর্নমেন্ট টু গভর্নমেন্ট) মাধ্যমে জনশক্তি রফতানি করার উদ্যোগ নেয়ার প্রতিবাদে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।’ সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, মালয়েশিয়ায় ‘জিটুজি’র মাধ্যমে জনশক্তি রফতানি কার্যক্রম শুরুর পর থেকে বায়রা সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে আসছিল, যাতে বায়রাকে যুক্ত রেখে এ জনশক্তি রফতানি করা হয়। কিন্তু সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ধারণা, জনশক্তি রফতানিতে বায়রার প্রয়োজন নেই। তাই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে বায়রার পক্ষ থেকে বলা হয়, জনশক্তি রফতানি খাতে বায়রা তখনই সেবা দেবে, যখন সরকার প্রাইভেট সেক্টরের গুরুত্ব অনুধাবন করে এ সেক্টরের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ-আলোচনায় সার্বিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দিক-নির্দেশনা দেবে। বায়রা সভাপতি বলেন, বায়রা যখন নিজ উদ্যোগে থাইল্যান্ড, কাতার, মালয়েশিয়া, হংকংসহ বিভিন্ন দেশে জনশক্তি রফতানির নতুন বাজার অনুসন্ধান করে সরকারকে জানিয়ে জনশক্তি রফতানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে, ঠিক সে সময় সরকার জিটুজি সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে জনশক্তি রফতানির উদ্যোগ নেয়। আর এতে দেশের জনশক্তি রফতানির বাজার স্থবির হয়ে আসে বলে তিনি অভিযোগ করেন।