মান্দায় তিনটি ফুটব্রিজ নির্মাণ ও তিন কিলোমিটার সড়ক পাকা করার আবেদন

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৩২
মাত্র ১ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় তিন তিনটি বাঁশের সাঁকো। ওপারের ১৫ গ্রামে বাস করে প্রায় ২০ হাজার মানুষ। সপ্তাহে অন্তত দুদিন তাদের আসতেই হয় ফতেপুর হাটে। আর বাজারে আসার প্রয়োজন হলে সবদিনই আসতে হয় একই ফতেপুর বাজারে। তাই বলতে গেলে অবহেলিত গ্রামীণ এ জনপদের মানুষের দৈনন্দিন চলাচলের জন্য রাস্তাটির কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু কৃষিনির্ভর এ জনপদবাসীর ভাগ্যের চাকা থেমে যায় ওই ১ কিলোমিটার রাস্তার সাঁকোয়-সাঁকোয়। অবর্ণনীয় দুর্ভোগের এ রাস্তাটি নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের নহলাকালুপাড়া গ্রামের। নওগাঁর মান্দা ও আত্রাই এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার সীমান্তবর্তী জনপদের একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র ফতেপুর বাজার। বাজারের পূর্ব দিকে আত্রাই উপজেলা সদরগামী পাকা সড়ক থেকে উল্লিখিত কাঁচা রাস্তাটি মান্দা উপজেলার জোকাহাট অভিমুখি। রাস্তাটির অপর প্রান্ত জোকাহাট এলাকায় কিছুটা পাকা হলেও গুরুত্বপূর্ণ ফতেপুরহাট এলাকার ৩ কিলোমিটার কাঁচা ও তার দশা একেবারেই জরাজীর্ণ। জীর্ণ এ রাস্তাটির উল্লিখিত ১ কিলোমিটার নহলাকালুপাড়া গ্রামের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত শাহানাপাড়া মাদরাসা পর্যন্ত। বন্যার ভাঙনে গ্রামের এ রাস্তার পৃথক তিনটি স্থানে গভীর খাড়ির সৃষ্টি হওয়ায় তা মানুষের যাতায়াতে চরম প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাড়িগুলোর দুটিতে ইতোমধ্যে ফুটব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০১০ সালে ফকিরনি নদীর উত্তর তীরের বাঁধভাঙা পানির তোড়ে ব্রিজ দুটো নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এরপর থেকে তিন তিনটি বাঁশের সাঁকোই বর্তমানে গ্রামবাসীদের যাতায়াতের ভরসা। এ অবস্থায় তিনটি ফুটব্রিজ নির্মাণ ও তিন কিলোমিটার সড়ক পাকা করা হলে জনসাধারণের জীবনমানসহ জীবিকার উন্নয়নে তা হবে অর্থবহ কাজ। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আকতার হোসাইন, মান্দা, নওগাঁ