সেক্স হরমোন হিসাবে বহুল পরিচিত টেসটেসটেরন হরমোনের ষাটোর্ধ্ব পুরুষের তেমন কোন উপকারে আসে না। এমন একটি গবেষণা রিপোর্ট দিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। বিশ্বব্যাপী অনেক চিকিত্সক বয়স্ক পুরুষদের পেশীশক্তি ও শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে অনেক ক্ষেত্রে টেসটেসটেরন হরমোন দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে টেসটেসটেরন জেল বা মুখে খাওয়ার হরমোন ট্যাবলেট দেয়া হয়। এ ব্যাপারে কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব মেডিসিনের গবেষক ও স্ট্যাডি অথার ড: কেরি হিলড্রেথ উল্লেখ করেছেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুরুষদের টেসটেসটেরনের উপকারিতা রয়েছে, তবে সব ক্ষেত্রে নয়।
গবেষকগণ এ কারণে উদ্বিগ্ন যে, আজকাল টেসটেসটেরন হরমোনের অপ্রয়োজনীয় ও যথেচ্ছ ব্যবহার হচ্ছে। অথচ যাদের শরীরে এই হরমোনটির পরিমাণ স্বাভাবিক আছে এবং বয়স্ক পুরুষদের কোন অবস্থাতেই বাড়তি টেসটেসটেরন দরকার নেই। তবে বিশেষজ্ঞগণ এটা স্বীকার করেছেন যে, টেসটেসটেরন হরমোন ব্যবহারে ক্ষেত্রবিশেষে খানিকটা উপকার হয়তোবা হয় তবে তা ওষুধটি ব্যবহার বন্ধ করলে এর কার্যকারিতা আর থাকে না। তবে বিশেষজ্ঞগণ টেসটেসটেরন হরমোন পেশী গঠনের ভূমিকার কথা স্বীকার করেন এবং তারা বলেন, শুধু শরীরচর্চা বা এক্সারসাইজ করে সবল পেশীর অধিকারী হতে পারেন। বাড়তে পারে শারীরিক ক্ষমতাও। তাই এই গবেষণার পর বয়স্ক লোকেরা আর টেসটেসটেরন সেবনে অথবা ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হবেন না এমনটিই আশা করছেন বিশেষজ্ঞগণ।
