চুয়াডাঙ্গায় একসময়ে স্রোতস্বিনী ৪টি নদী ছিল। নবগঙ্গা, চিত্রা, ভৈরব ও কুমার। পলি পড়ে ঐ নদীগুলো ভরাট হয়ে এখন ফসলের মাঠে পরিণত হয়েছে। সারা বছরই বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, ব্রিটিশ শাসনামল পর্যন্ত নদীগুলোতে বড় বড় নৌকা, বজরা ও ইংরেজ সাহেবদের লঞ্চ চলাচল করত। এলাকার বড় বড় ব্যবসায়ীরা কলকাতা থেকে নৌপথে পণ্য আমদানি করতেন। এলাকার সাধারণ মানুষ ছোট ছোট নৌকা করে নদী দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া-আসা করতেন।
দীর্ঘদিন ড্রেজিংয়ের অভাবে ও দুই পাড় সংস্কার না করায় পলি পড়ে নদীগুলো ভরাট হয়ে গেছে। এলাকার লোকজন এখন সেখানে বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করছেন। ব্রিটিশ শাসনামল থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন সরকার নদীগুলো পুনঃখনন অথবা ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিল একাধিকবার।
এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বিপ্লব গড়ে তোলার লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার কৃষি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্প দাখিল করেছেন। পরে ঐ দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা ২০১১ সালে চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এলাকাটি পরিদর্শন করেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
