শ্রীপুরে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবি

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:০৩
শ্রীপুর উপজেলায় একটি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে মাগুরা জেলা শহর থেকে শ্রীপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও কর্মীরা পৌঁছাতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ততক্ষণে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে সবকিছু ছারখার হয়ে যায় । এভাবেই প্রতিবছর শত শত ঘর-বাড়ি, জানমালসহ কোটি কোটি টাকার মূল্যবান সম্পদ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সমপ্রতি এক-দেড় মাসের ব্যবধানে এ উপজেলার শতাধিক বাড়ি-ঘর অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার চরমহেশপুর গ্রামে রান্নার চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে তোফাজ্জেল হোসেন তোফার তিনটি ঘর ভস্মীভূত হয়। শনিবার দুপুরে কোদলা গ্রামে আঃ মালেক খান, ওসমান খান, মান্নাফ খান, রোহিত খান, মাজেদুল খান, আকিদুল খান, রাশেদুল খান, গফুর মোল্লা,বক্কার মোল্লা ও আবুল শেখসহ ১০টি পরিবারের ২০টি ঘর, শুক্রবার দুপুরে বরইচারা গ্রামের মতলেব মোল্লা, মোক্তার মোল্লা, রইচ মোল্লা, মোসলেম মোল্লা,মফিজ মোল্লা, মনির মোল্লা, আক্কাস মোল্লা ও আফসার মোল্লাসহ ৮টি পরিবারের ১০টি ঘর, শ্রীপুরের আয়ুব মোল্লার ১টি ঘর ও একই দিনে সন্ধ্যায় কাজলী গ্রামে মনোয়ার মোল্লা ও আসাদুল মোল্লার ৫টি ঘর ভস্মীভূত হয়। এছাড়া সমপ্রতি শ্রীপুরের সিদ্দিক খাঁ, চরচৌগাছির তোফাজ্জেল শেখ,সোনাতুন্দির মালেক আল কাদরিসহ বিভিন্ন গ্রামের শতাধিক বাড়ি-ঘর, গরু, বাছুর, আসবাবপত্র, নগদ টাকা, ধান, চাল, পাট, গমসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিটি ঘটনায় সংবাদ পেয়ে মাগুরা থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে সবকিছু ভস্মীভূত হয়ে যায়।