প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও বিজ্ঞান

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ১৮:০৩
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সিএম মিরাজুল ইসলাম প্রভাষক, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ষষ্ঠ অধ্যায়- ৬ (জলবায়ু এবং দুর্যোগ) নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের ৪০ নম্বরই পেতে চাও তবে গাইড বই না পড়ে প্রতিদিন প্রতিটি বিষয় ১৫-২০ মিনিট মূলবই পড়। তুমি ভালো করবে নিশ্চিত। প্রশ্ন-১: কোন স্থানের ১-৭ দিনের বায়ু, তাপ, বৃষ্টিপাত প্রভৃতির গড় অবস্থাকে কী বলে? ক. তাপমাত্রা খ. জলবায়ু গ. আবহাওয়া ঘ. উষ্ণতা প্রশ্ন-২: কোন স্থানের কত বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু বলে? ক. ৫ বছর খ. ১০ বছর গ. ১৫ বছর ঘ) ৩০ বছর। প্রশ্ন-৩: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী কী? ক. কলকারখানা, যানবাহনের ধোঁয়া ও বন-জঙ্গল কমে যাওয়া। খ. নদী ধ্বংস হওয়া, জলাধার ভরাট ও অনাবৃষ্টি গ. নদী ভাঙ্গন, কলকারখানা ও ভূমিকম্প ঘ. ওপরের কোনটিই নয়। প্রশ্ন-৪: বরফ গলে যাওয়ার প্রধান কারণ কী? ক. তাপমাত্রা বৃদ্ধি খ. আর্দ্রতা বৃদ্ধি গ. তাপমাত্রা হ্রাস ঘ. সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি। প্রশ্ন-৫: বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রধানত দায়ী- ক. মানুষের কর্মকান্ড খ. কলকারখানা গ. নদী ধ্বংস হওয়া ঘ. বন-জঙ্গল হ্রাস। প্রশ্ন-৬: নিচের কোনটি মারাত্মক পরিস্থিতি? ক. দুর্যোগ খ. বন্যা গ. অতিবৃষ্টি ঘ. ঘূর্ণিঝড় প্রশ্ন-৭:বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশে পরিণত হয়েছে কেন? ক. জনসংখ্যা বৃদ্ধির জন্য খ. দুর্নীতির জন্য গ. জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ঘ. সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের জন্য প্রশ্ন-৮: কৃষিজমির উর্বরতা নষ্টের কারণ কী? ক. জলাবদ্ধতা খ. অতিবৃষ্টি গ. বন্যা ঘ. জলবায়ু পরিবর্তন। প্রশ্ন-৯: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কত শতাংশ সমুদ্রে তলিয়ে যেতে পারে? ক. ৩০% খ. ২০% গ. ৫০% ঘ. ১৫% প্রশ্ন-১০: কোনটি বাংলাদেশি ঘূর্ণিঝড়? ক. সুনামি খ. ক্যাটরিনা গ. সিডর ঘ. টাইফুন প্রশ্ন-১১: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগের কারণে সৃষ্ট সমস্যা- ক. মানুষের দারিদ্র্যতা খ. জনসংখ্যার ঘনত্ব গ. ঘর-বাড়ি হারাচ্ছে ঘ. সবগুলি প্রশ্ন-১২: দুর্যোগের সময় মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে গ্রাম থেকে কোথায় ভাসমান জনগোষ্ঠী হিসেবে জীবনযাপন করে? ক. শহরে খ. হাসপাতালে গ. আশ্রয়কেন্দ্রে ঘ. জেলা শহরে প্রশ্ন-১৩: বাংলাদেশের কতভাগ এলাকায় বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগ ঘটে? ক. ৫০% খ. প্রায় ৬৪% গ. প্রায় ৬০% ঘ. প্রায় ৭০%। প্রশ্ন-১৪: নদী ভাঙনের প্রাকৃতিক কারণ- ক. জোয়ারভাটা ও নদী খনন খ. ভূমিকম্প ও বালু উত্তোলন গ. ভূমিকম্প ও গাছপালা কাটা ঘ. জোয়ারভাটা ও ভূমিকম্প ১৫. নদী ভাঙনের মানুষ সৃষ্ট কারণ কী কী? ক. অপরিকল্পিত নদী খনন ও বালু উত্তোলন খ. গাছপালা কাটা ও ভূমিকম্প গ. নদী খনন ও জোয়ারভাটা ঘ. ভূমিকম্প ও জোয়ারভাটা। ১৬. নদী ভাঙনের অন্যতম প্রধান কারণ কী? ক. বালু উত্তোলন খ. বন্যা গ. নদী খনন ঘ. ভূমিকম্প ১৭. বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় কত হেক্টর ভূমি নদী ভাঙনের শিকার হয়? ক. ১০০০ হেক্টর খ. ১০,০০০ হেক্টর গ. ১৫০০০ হেক্টর ঘ. ১২০০০ হেক্টর। ১৮. দীর্ঘকাল শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে কী হয়? ক. খরা খ. বন্যা গ. নদীভাঙন ঘ. জলোচ্ছ্বাস ১৯. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলোতে খরার প্রবণতা বেশি? ক. পশ্চিমাঞ্চল খ. পূর্বাঞ্চল গ. উত্তরাঞ্চল ঘ. দক্ষিণাঞ্চল ২০. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির কী অবস্থা হয়? ক. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নীচে নামে খ. ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর উপরে উঠে গ. ভূ-গর্ভের মাঝামাঝি থাকে ঘ. ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তপ্ত হয়। উত্তরপত্র ১-(গ) আবহাওয়া,২-(ঘ) ৩০ বছর ৩-(ক) কলকারখানা, যানবাহনের ধোঁয়া ও বন-জঙ্গল কমে যাওয়া, ৪-(ক) তাপমাত্রা বৃদ্ধি ৫-(ক) মানুষের কর্মকান্ড, ৬-(ক) দুর্যোগ ৭- (গ) জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য। ৮- (ঘ) জলবায়ু পরিবর্তন, ৯-(খ) ২০% ১০-(গ) সুনামি, ১১-(ঘ) সবগুলি ১২-(ক) শহরে, ১৩-(খ) প্রায় ৬৪% ১৪-(ঘ) জোয়ারভাটা ও ভূমিকম্প ১৫-(ক) অপরিকল্পিত নদী খনন ও বালু উত্তোলন ১৬- (খ) বন্যা, ১৭-(খ) ১০,০০০ ১৮-(ক) খরা, ১৯-(গ) উত্তরাঞ্চল ২০-(ক) ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নীচে নেমে যাচ্ছে। প্রাথমিক বিজ্ঞান জান্নাতুল ফেরদৌস স্বর্ণা সিনিয়র শিক্ষক ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা ষষ্ঠ অধ্যায় শিক্ষার্থীরা আজ প্রাথমিক বিজ্ঞান এর ষষ্ঠ অধ্যায় (সুস্থ জীবনের জন্য খাদ্য) থেকে সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করা হল। যা পড়বে মনোযোগ দিয়ে পড়বে কারন এখান থেকেও পেতে পার নৈর্ব্যক্তিক,শূন্যস্থানপূরণ সহ অনেক প্রশ্নের সমাধান। ভালো করার একমাত্র শর্ত মূলবই পড়া। ১। খাদ্যের ৬টি উপাদান কী কী? উ: খাদ্যের ৬টি উপাদান হলোঃ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি। ২। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে কী হয়? উ: দেহ ভারী হয়ে পড়ে ফলে শিশুরা শারীরিক পরিশ্রম এমনকি খেলাধুলার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এবং বড় কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। ৩। প্রধান খাদ্য উপাদান কয়টি ও কী কী? উ: প্রধান খাদ্য উপাদান ৩টি যথাঃ শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ। ৪। প্রধান খাদ্য উপাদানসমূহ দেহের কী করে? উ: প্রধান খাদ্য উপাদানসমূহ দেহের গঠন, বৃদ্ধি সাধন ও ক্ষয়পূরণ ছাড়াও তাপশক্তি যোগান দেয়। ৫। প্রতিদিন একজনের কতটুকু শক্তি প্রয়োজন? উ: প্রতিদিন একজনের কতটুকু শক্তি প্রয়োজন তা নির্ভর করে মূলত বয়স, দেহের উচ্চতা ও দেহের ওজনের ওপর। তবে বেশি শারীরিক পরিশ্রম করলে বেশি শক্তির প্রয়োজন। ৬। খাদ্য সংরক্ষণ বলতে কী বুঝ? উ: খাদ্যদ্রব্যকে পচন থেকে রক্ষা করা, টাটকা ও তাজা রাখার জন্য এবং খাদ্যকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করে বছরের পর বছর যাতে সব রকমের খাদ্য পাওয়া যায় তার ব্যবস্থা করাই খাদ্য সংরক্ষণ। ৭। ফ্রিজে ও রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায় কী কী? উ: রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণঃ- ধান বা চাল, গম, ডাল ইত্যাদি। ফ্রিজে সংরক্ষণঃ মাছ, মাংস, ফল ইত্যাদি। ৮। বিভিন্ন তরকারি, ফল ও মাছ, মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয় কেন? উঃ মাছ, মাংস তরকারি ও ফলমূলে বেশি পানি থাকায় এদের শুধু রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায় না তাই এগুলো ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়। কারণ টান্ডায় খাদ্যে জীবাণু জন্মায় না ফলে খাদ্যদ্রব্য বেশিদিন ভালো থাকে। ৯। কিভাবে খাদ্যদ্রব্যকে আকর্ষণীয় করা যায়? উঃ মূলতঃ খাদ্য দ্রব্যকে আকর্ষণীয় করার জন্য এতে রং ও রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ১০। খাদ্যে সাধারণত কী কী রাসায়নিক দ্রব্য মিশানো হয়? উঃ খাদ্যে ক্যালসিয়াম কারবাইড, বিষাক্ত পাউডার, ফরমালিন ও গ্যাবারিন এর মত রাসায়নিক দ্রব্য মিশানো হয়। ১১। খাবারে কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক ব্যবহার করার ফল কী? উ: খাবারে কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক ব্যবহার করলে লিভার ও কিডনি অকার্যকর হওয়া, এ্যাজমা হওয়া, শরীরের বৃদ্ধি কমে যাওয়াসহ ক্যান্সারও হতে পারে। ১২। “জাঙ্ক ফুড” কী? উ: জাঙ্ক ফুড এক ধরনের কৃত্রিম খাদ্য যাতে চর্বি, লবণ, কার্বনেট ইত্যাদি ক্ষতিকারক দ্রব্যের আধিক্য থাকে যা গ্রহণ করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক, যেমন: আলুর চিপস, বার্ডার চকলেট ইত্যাদি। ১৩। খাদ্যে সাধারণত কী কী কৃত্রিম রং ও দ্রব্যাদি মিশানো হয়? উ: খাদ্যে যেসব রং ও দ্রব্যাদি মিশানো হয়, তার মধ্যে রয়েছে- কৃত্রিম রং, ইটের গুঁড়া, রঙিন কাঠের গুঁড়া, কাপড়ের রং, ধূলা, কৃত্রিম মিষ্টিদ্রব্য ইত্যাদি। ১৪। কৃত্রিম রং ও রাসায়নিক ব্যবহারের ফলে মানুষের কী কী ক্ষতি হয়? উ: নানা রকম ক্ষতি হয়। এদের মধ্যে লিভার ও কিডনি অকার্যকর হওয়া, এ্যাজমা হওয়া, শরীরের বৃদ্ধি কমে যাওয়া ও ক্যান্সার রোগ হওয়া ইত্যাদি।