কায়েসং যৌথ শিল্প এলাকায় দক্ষিণ কোরীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পর এবার সেখান থেকে সব কর্মী প্রত্যাহার করে নেয়াসহ কার্যক্রম বন্ধ করে দিচ্ছে উত্তর কোরিয়া। প্রায় এক দশক আগে প্রতিষ্ঠিত কায়েসং শিল্প এলাকা দুই কোরিয়ার মধ্যে সহযোগিতার প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু এটি এখন স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হতে পারে বলেই জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তারা।—্্্্্্্্্খবর রয়টার্স ও এএফপির।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রকে ঘিরে যে তত্পরতা দেখা গেছে তা রুটিনমাফিক কার্যকলাপ বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। এর আগে উত্তর কোরিয়া আরেকটি পরমাণু পরীক্ষা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিল দেশটি। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কিম জাং-সু জানিয়েছেন পিয়ং ইয়ং বুধবারের আগে কিংবা পরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বা যেকোন উস্কানিমূলক কর্মকান্ড চালাতে পারে। উত্তর কোরিয়ার যেকোন উস্কানিমূলক কর্মকান্ডের পাল্টা জবাব দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া। সীমান্ত সংঘর্ষের বিস্তার রোধে এ্ই জবাব হবে সীমিত ধরনের। অজ্ঞাতনামা মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার খবরে বলা হয় অবিলম্বে উস্কানি প্রতিরোধমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং উত্তর কোরিয়া হামলা চালালে একইভাবে তাদের পাল্টা জবাব দেয়া হবে।্ উত্তর কোরিয়া যে ধরনের অস্ত্র দিয়ে হামলা চালাবে সে ধরনের অস্ত্র দিয়ে পাল্টা জবাব দেয়া হবে বলে জানান, মার্কিন কর্মকর্তারা।
