গত কয়েকদিন ধরে দেশের শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন (টাকার অঙ্কে) বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে শেয়ার লেনদেনের (হাত বদল) পরিমাণ। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) হাত বদল হয়েছে ৬ কোটি ২৫ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। আগেরদিন সোমবার হয়েছিল ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৫৪ হাজার ৩টি। আর রবিবার হাত বদল হয়েছিল ৪ কোটি ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৩টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট। গত কয়েকমাস ধরে ডিএসইতে শেয়ার হাত বদলের পরিমাণ ৫ কোটির কম হলেও গত দুই-তিন দিন ধরে তা বাড়তে শুরু করেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, দর কমতে কমতে বেশিরভাগ ভালো কোম্পানির শেয়ারের দর খুব কম থাকায় শেয়ার কেনার চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। অনেকেই অন্য শেয়ার ছেড়ে দিয়ে তুলনামূলক ভালো কোম্পানির শেয়ার কেনার চেষ্টা করছেন। তবে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার অভাব থাকায় শেয়ারের দাম কম থাকা সত্ত্বেও নতুন বিনিয়োগ বাড়ছে না।
তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৭৯ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৫৯৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক বেড়েছে ৬৭ পয়েন্ট। আর ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ২২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩২৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে ১৮৭ কোটি ২৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৪০ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৭৪টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৫টির, কমেছে ৩১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টি কোম্পানির শেয়ারের।
গতকাল চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ১৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসই-৩০ মূল্যসূচক ২২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৯৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৭ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ১৮৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬৬টির, কমেছে ১৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দর।
এদিকে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানি জানিয়েছে যে, সমাপ্ত অর্থ বছরের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ১ টাকা ৩৫ পয়সা আর শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য ৪২ টাকা ৭৮ পয়সা।
