কুষ্টিয়ায় সমবায় শিক্ষায়তনের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ২১:০২
কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সমবায় শিক্ষায়তনের অধ্যক্ষ আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে শিক্ষায়তনের কর্মচারীরা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তারা অবিলম্বে অধ্যক্ষ আনিছুর রহমানের অপসারণ দাবি করেছেন। লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, আঞ্চলিক সমবায় শিক্ষায়তনের হোস্টেল ও অডিটরিয়াম বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার নিকট ভাড়া দেয়া হয় প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য। শিক্ষায়তনের হোস্টেল বহিরাগতরা আবাসিক হোটেল হিসেবে ব্যবহার করে। সেখান থেকে মাসে ১৫ হাজার টাকা আয় হয়। হোস্টেল সুপার রশিদ কাটতে চাইলেও অধ্যক্ষ বাধা দেন। ভাড়া থেকে প্রাপ্ত সকল টাকাই অধ্যক্ষ আত্মসাত্ করেন। শিক্ষায়তনের আবাসিক কোয়ার্টারে অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান দেড় বছর অবস্থান করলেও ভাড়া বাবদ কোন অর্থ তিনি দেননি। চলতি অর্থবছরে অনুষ্ঠিত দুইটি সমবায় ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যাগ বাবদ পাঁচশত টাকা বরাদ্দ থাকলেও দুই শত টাকা মূল্যের ব্যাগ প্রদান করা হয়। দৈনিক ভাতা ২৩০ টাকার স্থলে দেয়া হয় ১১০ টাকা। খাবারের মান ও প্রশিক্ষণসামগ্রী অত্যন্ত নিম্নমানের হওয়ার বিক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রশিক্ষণার্থীরা। সিডিএফ তহবিল থেকে কোন প্রশিক্ষণ ছাড়াই সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে বাড়ি নির্মাণের জন্য ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত্ করেছেন অধ্যক্ষ আনিছুর রহমান। অধ্যক্ষ নিজের বাড়িতে ব্যবহারের জন্য ক্যাম্পাসের ১৩টি বড় বড় মেহগনি গাছ কেটে ব্যবহার করেছেন। এছাড়া হোস্টেলে প্রায়ই নারীঘটিত অসামাজিক কাজকর্ম হয়ে থাকে। এসব কাজ গোলাম মোস্তফা মেটর্স দিয়ে করানো হয়। বর্তমানে অধ্যক্ষের হাতে কর্মচারীদের নানাভাবে নাজেহাল হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ কর্মচারীরা। এসব অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ আনিছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি।