বদরগঞ্জে পুকুর খননকালে সাড়ে সাত কেজি সোনা উদ্ধার!

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ২১:০৫
রংপুরের বদরগঞ্জে পুকুর খননকালে ৩৭টি সোনার বিস্কুট পেয়েছে মাটি কাটা শ্রমিকরা। এমন খবরে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। সোনা নিয়ে কেউ পালাতে না পারে সে জন্য মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের মহদীপুর এলাকায়। জানা যায়, কমল চন্দ্রের বাড়ীর পাশে ২৬শতক জমিতে পুকুর খনন কালে ৭এপ্রিল শ্রমিকরা মাটি খোঁড়ার সময় একটি মাটির কলসে রাখা সোনার বিস্কুটসদৃশ ৩৬টি বস্তু পায়। বস্তুটি যে সোনা সেটা নিশ্চিত হওয়ার পর মাটিকাটা শ্রমিক শরিফুল, তৌহিদুল, কামরুল ও মোফাজ্জল ২ শত গ্রাম ওজনের ৯টি করে বিস্কুট ভাগ করে নেয়। পুরো বিষয়টি পুকুর মালিকের কাছে গোপন রাখা হলেও টের পেয়ে যান এলাকার সাবেক ইউপি মেম্বার আফসার আলীর দুই ছেলে বেলাল ও দেলোয়ার। তারা ঘটনাটি ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে চার শ্রমিকের কাছ থেকে চারটি সোনার বিস্কুট হাতিয়ে নেন। পরবর্তীতে বিষয়টি চাউর হয়ে গেলে ৮এপ্রিল পুকুর মালিক কমল চন্দ্র লোকজন দিয়ে পুকুর পাহারা দেন। গতকাল মঙ্গলবার পুনরায় পুকুর খনন শুরু হলে মাটির নীচ থেকে আরো একটি সোনার বিস্কুট উদ্ধার হয়। আর সেটি শ্রমিক আব্দুল মজিদসহ পুকুর মালিক সমানভাবে ভাগ করে নেন। এঘটনার পর পরই এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। সর্বশেষ বিশাল — আরেকটি সোনার বিস্কুট পাওয়া গেছে যা থানার হেফাজতে রয়েছে। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন মাটি কাটা শ্রমিক আব্দুল মজিদ। তবে তাকে একটি বিস্কুটের অর্ধেক নয়, চার ভাগের একভাগ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন। পুকুর মালিক কমল চন্দ্র সোনা উদ্ধারের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, মজিদকে চার ভাগের একভাগ নয়; একটি বিস্কুটের অর্ধেক দেয়া হয়েছে। এসময় চার শ্রমিকসহ সাবেক মেম্বারের দুই ছেলের কাছ থেকে সোনা উদ্ধার করে দেয়ার জন্য তিনি সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করেন। এদিকে শ্রমিক শরিফুল, তৌহিদুল, কামরুল এবং মোফাজ্জলের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। এছাড়া বাড়ীতে না থাকায় সাবেক মেম্বার পুত্রদ্বয়ের সাথেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।