কাউখালীতে ফেরি পুনঃস্থাপনের দাবি

সন্ধ্যার উত্তাল ঢেউয়ে ঝুঁকি নিয়ে হাজার যাত্রীর পারাপার

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ২১:০৭
নদীবেষ্টিত কাউখালী উপজেলার ২টি ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী দুই উপজেলার ১৫টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার লোক সন্ধ্যা নদীর উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে নৌকা ও ট্রলারে প্রতিদিন ঝুঁকিপূর্ণভাবে পার হয়ে থাকে। উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন আমরাজুড়ী ইউনিয়ন এবং স্বরূপকাঠী ও পিরোজপুর সদরের ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার মানুষকে কাউখালী উপজেলা সদরে ব্যবসা-বাণিজ্য, লেখাপড়া, অফিস-আদালতসহ জীবন-জীবিকার সন্ধানে সন্ধ্যা নদীর পশ্চিম পাড়ের সোনাকুর খেয়াঘাট হয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই খেয়াঘাটে ১৯৯৭ সালে তত্কালীন যোগাযোগ মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু দুর্ভোগ লাঘবের জন্য ফেরি সার্ভিস চালু করেছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ফেরিসহ ঘাট পরিবর্তন করে তা অন্যত্র নেয়া হয়। উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুমে সোনাকুর ও ধাবরী খেয়াঘাটের নৌকা পারাপার হতে গিয়ে প্রতিবছর ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এতে অনেক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। ফলে ঐ এলাকার ১৫ গ্রামের প্রায় ১৮ হাজার মানুষ এই আধুনিক যুগেও বাধ্য হয়ে খরস্রোতা সন্ধ্যা নদী পারাপার হয়ে থাকে। এ ব্যাপারে ২নং আমরাজুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কৃষ্ণ লাল গুহু পূবের্র ন্যায় ফেরিটি পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।