জাতীয় দলের সম্ভাব্য দুই ডাচ কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ এবং তার সহকারী রেনে কেস্তার গতকাল ঢাকায় নিজেদের আবাসন ব্যবস্থাটা কোথায় তা দেখে নেয়ার ফাঁকেই খোঁজ নিলেন এমিলি এবং জাহিদের। কারণ দুইজনকে নেপালে যাওয়ার আগে বাদ দিতে হয়েছিল ইনজুরির কারণে। এখন তারা কতটুকু সেরে উঠেছেন তা জানতে বাফুফের মিডিয়া অফিসারের মাধমে শেখ রাসেলের কোচ মারুফুল হকের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন তারা।
এমিলি জাহিদ দুজনেই এখন সুস্থ। কিন্তু হলুদ কার্ড থাকায় আজ আরামবাগের বিরুদ্ধে শেখ রাসেলের উইংগার জাহিদ মাঠে নামতে পারছেন না। আবার শেখ রাসেলের পরের ম্যাচটির আগে চলে যাবেন বলে জাহিদের খেলা দেখা হবে না ক্রুইফের।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে বিজেএমসি ব্রাদার্সের ম্যাচটা বেশ গুরুত্ব দিয়েই দেখেছেন ক্রুইফ এবং রেনে। কারণ বিজেএমসিতে রয়েছে জাতীয় দলের কেষ্ট কুমার বোস, তকলিস আহমেদ এবং ব্রাদার্সের মিডফিল্ডার জামাল। খেলা শেষ হওয়ার আগেই কোচ জানিয়ে রেখেছিলেন তাদের সাথে কথা বলতে চান তিনি। ডেকে আনা হলো কেষ্ট, জামাল এবং তাদের সবচেয়ে পছন্দের ফুটবলার তকলিসকে।
এদিকে কোচদ্বয় তাদের স্ত্রীদের নিয়ে গতকাল সকালে গুলশানের হোটেল থেকে বেরিয়ে পড়েন বাসা এবং বাচ্চাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখার জন্য। অভিজাত পাড়া গুলশান বনানী আর বারিধারায় বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বাচ্চাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলেছেন তাদের স্ত্রীরা। ক্রুইফের আছে তিন সন্তান। আর রেনে কেস্তারের ১১ মাসের সন্তান। তাকে হল্যান্ডে রেখে স্ত্রী এসেছেন বাসা দেখতে। পেশাদার কোচ বলে বাসা-বাড়ি দেখার ফাঁকেই খেলোয়াড়দের খোঁজ খবর নেন। কে কোথায় আছে কার কি অবস্থা তা জেনে নেন। সন্ধ্যায় ডাচ কোচরা স্ত্রীদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে আসেন খেলা দেখার জন্য। কোচরা খেলা দেখছিলেন ভিআইপি গ্যালারিতে। বিরতির সময় তারা স্ত্রীদের নিয়ে নিচের গ্যালারিতে খেলা দেখতে থাকা মহিলা ফুটবলারদের সাথে গিয়ে বসেন।
