হেফাজতের দাবির প্রতিবাদে গণজাগরণ মঞ্চের লাঠি মিছিল

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩১
হেফাজতে ইসলামের ১৩ দফা দাবি ও হরতালের প্রতিবাদে এবং যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসিসহ ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে লাঠি মিছিল করেছে গণজাগরণ মঞ্চ। একই দাবিতে আজ বুধবার শহীদদের উদ্দেশ্যে লেখা চিঠি পাঠ করা হবে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে। গতকাল মঙ্গলবার বিকালে শাহবাগে প্রজন্ম চত্বর থেকে মিছিলটি বের হয়। মত্স্য ভবন, প্রেসক্লাব, দোয়েল চত্বর হয়ে সন্ধ্যায় মিছিলটি শাহবাগে এসে শেষ হয়। মিছিলের সম্মুখভাগে ছিলেন নারীরা। সকলের হাতেই ছিল বাঁশের আপোষকামিতার মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় আসা যাবে না। তিনি বলেন, যারা ধর্মের নামে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে এবং আস্তিক-নাস্তিকের দ্বন্দ্ব উস্কে দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে তাদের বিচার করতে হবে। কবি জসীম-উদ-দীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, হেফাজতে ইসলামের নামের মধ্যেই অবমাননা রয়েছে। কোরআন শরীফে ও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে ইসলাম ধর্মের রক্ষক স্বয়ং আল্লাহ। তাই কোনো সংগঠন বা ব্যক্তির ইসলাম ধর্মকে হেফাজত করার কথা বলা ধৃষ্টতার শামিল। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চ যখন আন্দোলনে নামল, তখনই তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেখানে তারা কখনো ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলেনি, অথচ তাদের নাস্তিক বানানো হলো। এখন এই ১৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা হলে দেশকে মধ্যযুগে ঠেলে দেয়া হবে। হেফাজতের দাবি অন্ধকার যুগের সনদ ছাড়া অন্য কিছু নয়। সম্প্রতি ব্লগারদের গ্রেফতার ও হেফাজতের সমাবেশে নারীদের নিগৃহীত করার প্রতিবাদও জানান শিক্ষকরা। তারা ‘জামায়াত-রাজাকার-হেফাজত নিষিদ্ধ কর’, ‘ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি বন্ধ কর’, ‘নারী নীতি ও শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন কর’, ‘মুক্তচিন্তার বাংলাদেশ চাই’ প্রভৃতি লেখা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাখেন অধ্যাপক একেএম নূর-উন-নবী, নিমচন্দ্র ভৌমিক, আনোয়ার হোসেন, জিয়াউর রহমান, শেখ আবদুস সালাম, এএসএম মাকসুদ কামাল, এ কে এম গোলাম রব্বানী, ড. এজেএম শফিউল আলম ভুঁইয়া, লালারুখ সেলিম প্রমুখ।