পুলিশকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, গাড়ি ভাংচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে পল্টন থানার একটি মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট হারুন অর রশিদ তার জামিনের আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। গত পহেলা এপ্রিল পল্টন থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক শ্যামল দেবনাথ। রিমান্ড আবেদনের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন মহানগর পিপি মো. আবদুল্লাহ আবু, অতিরিক্ত পিপি শাহালম তালুকদার প্রমুখ।
রিমান্ড আবেদনের শুনানিতে তারা বলেন, গত ১ এপ্রিল বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশের সময় এজাহার নামীয় ১০ আসামিসহ ৪০/৫০ জন কমপক্ষে ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় আসামিরা এলাকায় ত্রাস ও আতঙ্কের সৃষ্টি করে। এছাড়াও তারা যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ওই সময় তারা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘এটিএন বাংলার’ ২টি গাড়িসহ ৩টি গাড়ি ভাংচুর ও তিনটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
অপরদিকে আসামির রিমান্ড বাতিল করে জামিনের শুনানি করেন এডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, মকবুল হোসেন ফকির, খোরশেদ মিয়া প্রমুখ। আসামিপক্ষে তারা বলেন, সালাহউদ্দিন আহমেদ অপরিচিত কেউ নন। মামলার এজাহারে ১০ আসামির নাম উল্লেখ রয়েছে। সালাহউদ্দিন যদি সেখানে থাকতেন তাহলে তার নামও অন্তর্ভুক্ত হতো। মামলা দায়েরের ৮ দিন পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আরও বলেন, নিজেদের সমাবেশে তারা বোমা মেরে পণ্ড করবে এমন কথা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তারা রিমান্ড চাওয়াকে ‘মামা বাড়ির আবদার’ বলে উল্লেখ করেন। সোমবার রাতে গুলশানের একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিন আহমেদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।
