সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য অধিকার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তথ্য অধিকার আইনের বিধান মতে নির্দিষ্ট সময়ে তথ্য প্রদান না করায় তথ্য কমিশনে এই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হচ্ছেন বিশ্বনাথ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফারজানা ফিরোজ ইভার পিতা মো. ফিরোজ আলী। গত ৩ এপ্রিল এ অভিযোগ দায়ের করা হয়।
জানা যায়, ফারজানা ফিরোজ ইভা ২০১২ সালের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। কিন্তু সে বৃত্তি পায়নি। এই বিদ্যালয়ে ১০জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেলেও একজন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তির ফলাফলে শিক্ষক-অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েন।
ফারজানা ফিরোজ ইভার পিতা তার মেয়ের সমাপনী পরীক্ষার ছয়টি পেপার বৃত্তির ফলাফলের তালিকা ও সিডি চেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে গত ১০ মার্চ তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ (তথ্যপ্রাপ্তি) এর (৩) বিধান মতে আবেদন করেন। কিন্তু আইনের নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও শিক্ষা কর্মকর্তা তথ্য প্রদান কিংবা তথ্য প্রাপ্তির ব্যাপারে লিখিত বা মৌখিক ভাবে কোন কিছু জানাননি। তাই গত ৩ এপ্রিল তথ্য অধিকার আইন ২০০৯-১৩ (গ) মোতাবেক তথ্য কমিশনে ই-মেলই মাধ্যমে বিশ্বনাথ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (প্রাথমিক) চিন্তাহরণ দাস’র বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।
