গাংনীতে অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন শিক্ষা প্রকৌশলী

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৩, ২১:০২
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম গত এক বছর ধরে অফিসে না এসেই বেতন নিচ্ছেন বলে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস জানিয়েছেন। জানা যায়, শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য প্রতিটি উপজেলার ন্যায় গাংনী উপজেলাতেও একজন করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শিক্ষা) নিয়োগ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী গত ২০১২ সালের এপ্রিল মাসে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামকে নিয়োগ দেয়া হয় গাংনী উপজেলায়। এখানে বদলি হয়ে আসার পর থেকে তিনি অফিস তালাবদ্ধ করে মালামাল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একটি কক্ষে রেখে মেহেরপুরে অবস্থান করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান জানান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শিক্ষা) জহিরুল ইসলাম অফিসে না আসায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজ ফেলে মেহেরপুরে যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থ দুই অপচয় হচ্ছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের কোন কাজই হচ্ছে না। গাংনী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মগরেব আলী জানান, অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সাথে সমন্বয় ও পরামর্শসাপেক্ষে কাজ করতে হবে। অথচ বিগত ৬ মাসেও একদিনের জন্য উপ-সহকারী শিক্ষা প্রকৌশলীর দেখা মেলেনি। উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শিক্ষা) জহিরুল ইসলাম জানান, তিনি অফিসে না আসলেও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট মোবাইল ফোনে উপস্থিতি নিশ্চিত করেন ও সপ্তাহে একদিন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসে হাজিরা দেন। গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আব্দুস সালাম জানান, মোবাইল ফোনে কারো উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায় না। নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক কর্মকর্তাকে অফিসে আসতে হবে। উপ-সহকারী প্রকৌশলী যা বলেছেন সেটা সঠিক নয়।