আগামী সপ্তাহে আরো হরতাল আসছে

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৩, ২৩:১১
বিরোধী দলের কারারুদ্ধ নেতাকর্মীদের মুক্তি, সরকারের পদত্যাগ, গণহত্যা বন্ধ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আগামী সপ্তাহে আরও হরতাল আসছে। গতকাল রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত টানা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল শেষে এই বৈঠক হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, সরকারের বিরুদ্ধে নতুন কর্মসূচি ঠিক করতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডাকেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। এ বৈঠকে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বাইরে দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতাকেও ডাকা হয়। সর্বশেষ গত ৬ এপ্রিল স্থায়ী কমিটির বৈঠক মুলতবি রাখা হয়। এরপর গত ৭ এপ্রিল আদালতে হাজিরা দিতে গেলে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির তিন সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানো হয়। এর আগে কারাগারে যান অপর স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। পদাধিকারবলে স্থায়ী কমিটির সদস্য তারেক রহমান দীর্ঘদিন লন্ডনে চিকিত্সা নিচ্ছেন। পুলিশের গুলিতে আহত নজরুল ইসলাম খান সিঙ্গাপুরে চিকিত্সাধীন। ফলে ১৯ সদস্যের স্থায়ী কমিটির মধ্যে ৬ জনই বৈঠকে থাকতে পারেননি। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনিও জেলে রয়েছেন। অসুস্থ আছেন তরিকুল ইসলাম ও এম শামসুল ইসলাম। তারা বৈঠকে আসতে পারেননি। বৈঠকে ছিলেন ড. আর এ গনি, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আসম হান্নান শাহ, সারোয়ারি রহমান, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ও ড. আবদুল মঈন খান।