বৌদ্ধ ভিক্ষুদের মুসলিম বিরোধী জাতিগত বিদ্বেষ ছড়ানোর পর মিয়ানমারের রাজধানী ইয়াঙ্গুনে উগ্রপন্থি বৌদ্ধদের তত্পরতা দিন দিন বাড়ছে। মার্চে ভিক্ষুদের দাঙ্গা ছড়ানোর পর মিয়ানমারে শত শত মুসলিমকে হত্যা করা হয়। তারা মুসলিম নিধনকে নাম দিয়েছে ‘৯৬৯’ মুভমেন্ট। রাজধানীর অনেক মুসলিম অধিবাসী জানালেন- তারা এখন আতংকের মধ্যে আছেন। -খবর ডন সংবাদপত্রের।
সেনা মোতায়েন ও মার্শাল ল’ জারির পর দেশের মধ্যভাগে মেইখটালিয়া ও অন্যান্য গোলযোগপূর্ণ রাজ্যে মুসলিমদের ওপর হামলা কমেছে। তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে এসেছে যে সেসব জায়গায় পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা ছড়িয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। দাঙ্গার সময় নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে পুলিশ। কিন্তু সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের ক্রান্তিকালে ইয়াঙ্গুনে মুসলিমদের মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ ও আতংক বিরাজ করছে। ১৩ বছরের এক মুসলিম বালকের অগ্নিদগ্ধ লাশ পাওয়া যায় ২ এপ্রিল স্কুলে। কর্তৃপক্ষ বলেছে বৈদ্যুতিক লাইনের ত্রুটির কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে কিন্তু অনেক মুসলমানের ধারণা সেখানে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছিল। কখন হামলা হয় সে ভয়ে রাতে আমরা ঘুমাতে পারি না— বললেন ইয়াঙ্গুনের একজন মুসলিম অধিবাসী। আরেকজন অধিবাসী বললেন- মসজিদের ইমাম আমাদের কোন ধরনের উস্কানিতে সাড়া না দেয়ার এবং ধৈর্য ধরার কথা বলেছেন। কিছু কিছু মৌলবাদী বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা ইয়াঙ্গুনে জাতিগত বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। তাদের মধ্যে অন্যতম ্্্্্উইরাথু।
