বাঁশখালী থানায় ৯ মামলায় প্রায় ৪২ হাজার আসামি করায় উপজেলার প্রায় ইউনিয়নগুলোতে পুলিশের ভয়ে সন্ধ্যা হলে নিরাপদ আশ্রয় খোঁজে সাধারণ জনগণ।
এর মধ্যেও গত ১৮ মার্চ সেখানে ডাকাতরা হামলা চালায়। স্থানীয়রা সক্রিয় হওয়ায় আব্দুল খালেক (৪০) নামের এক ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে। বাকি ৬ ডাকাতকে পুলিশ উদ্ধার করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেন। একই ভাবে পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্য জেলেদের সঙ্গে পাড়ি জমিয়ে ছিল শেখেরখীলের আব্দুন নুর ও জাহাঙ্গীর আলম, দেলোয়ার হোসেন, খলিলুর রহমানসহ আরো অনেক তরুণ। সেখানেও নিরাপত্তা না থাকায় ৩১ জেলেকে হত্যা করে সাগরে লাশ ভাসিয়ে দেয় জলদস্যুরা। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার আশাহীন হয়ে পড়েছে নিহতের পরিবারগুলোর কাছে। সমপ্রতি জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে এ মামলায় প্রায় ৪২ হাজার আসামি করা হলেও মূলত নাম দেয়া হয়েছে প্রায় চার শতাধিক আসামির। বাকি আসামিদের নাম অজ্ঞাত রাখার কারণে সাধারণ মানুষ পুলিশের গ্রেপ্তার আতংক এড়াতে রাত হলেই পাহাড় এবং সাগরে নির্ঘুমে রাত কাটাচ্ছেন বাঁশখালীর সাধারণ মানুষ। বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল হাসান এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিরীহ ব্যক্তিদের হয়রানি না করার ঘোষণা দেন, তাতেও মানুষ পুলিশের উপর ভরসা না রেখে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।
