কানসাটের পল্লী বিদ্যুত্ অফিসে জামায়াত শিবিরের তান্ডবের মামলায় জড়িত আসামিদের ধরতে গিয়ে যৌথবাহিনীর সঙ্গে জামায়াত শিবির ও গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৩ জন নিহত এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও ওসিসহ শতাধিক আহত হওয়ার পর থেকে ৬-৭ গ্রামের প্রায় ১২ হাজার মানুষ গ্রেফতার আতংকে গ্রাম ছাড়া। পুরুষ শূন্য গ্রামগুলোতে শিশু ও নারীরা আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে বলে জানা গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সাধারণ নারী-পুরুষ ও কয়েকটি গোপন সূত্রে জানা গেছে, জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার বিচারের রায়ের পর থেকেই শ্যামপুর ইউনিয়নের গোপালনগর, উমরপুর, বাবুপুর, আজগুবী, শ্যামপুরসহ ৬-৭টি গ্রামের গোপন আস্তানায় তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এমনকি আস্তানাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের ভারি অস্ত্র-সস্ত্রও থাকছে। তারা আরো জানান, জামায়াত শিবির অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে বাড়িতে না শুয়ে মাঠে ও বাগানে বসে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে। ২৯ মার্চ ঘটনার রাতে যৌথবাহিনীর ২টি গাড়ি ঢুকলে হাজার হাজার জামায়াত শিবির কর্মী তাদেরকে ঘিরে ফেলে ও ৪৫-৫০টি ককটেল ও বোমা নিক্ষেপ করে, এতে প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ও ওসিসহ ১০-১২ জন আহত হয়। এসময় যৌথবাহিনী ফাঁকা গুলি করলে তারা মোবাইলে ম্যাসেজ পাঠিয়ে আরো লোক জড়ো করে আবারো হামলা করার চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে জামায়াত শিবিরের ৩ জন নিহত, ৩৫-৪০ জন গুলিবিদ্ধ ও শতাধিক আহত হয়।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাঃ মিজানুর রহমান বলেন, সেদিন যৌথবাহিনী আসামি ধরতে গিয়ে কোন নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি বা গ্রেফতার করেনি। বরং তারাই আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।
