ইউএনও’সহ ৫ কর্মকর্তাকে নোটিস

আদিতমারী হাটের ইজারায় নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০১৩, ২১:০৯
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার বুড়িরহাট ইজারায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ৫ কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছে আদালত। জানা গেছে, ১৪২০ বাংলা সনের জন্য সকল হাট-বাজারের বার্ষিক ইজারার দরপত্র সংগ্রহের শেষদিন ছিল ২৬ ফেব্রুয়ারি এবং দরপত্র জমাদানের তারিখ ছিল ২৭ ফেব্রুয়ারি। দরপত্র মোতাবেক উপজেলা সদরের বুড়ির হাটের বিপরীতে ৭টি দরপত্র জমা পড়ে। দরপত্রে ৭ লাখ ৮৫ হাজার টাকা সর্বোচ্চ দরদাতা ছিলেন অলিউজ্জামান ওরফে অলিউর রহমান এবং ৭ লাখ ৮১হাজার টাকা দ্বিতীয় দরদাতা ছিলেন তপন কুমার ঘোষ। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে বাছাই কমিটি সর্বোচ্চ দরদাতা অলিউর রহমানের দরপত্র বাতিল করে দ্বিতীয় দরদাতা তপন কুমার ঘোষের নামে বুড়িরহাট ইজারার ডিক্রি প্রদান করেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে সর্বোচ্চ দরদাতা অলিউর রহমান বাদি হয়ে গত ৭ এপ্রিল যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবাদীরা হলেন, তপন কুমার ঘোষ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা প্রকৌশলী, কৃষি কর্মকর্তা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। যুগ্ম জেলা জজ এম,এ আউয়াল সরকার মামলাটি আমলে নিয়ে বুড়িরহাট ইজারার অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং ২ থেকে ৭ নং বিবাদীদ্বয়কে নোটিস প্রাপ্তির ৫ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ প্রদান করেন।