হরতালের পক্ষে বরিশাল নগরীতে গণসংযোগ চালানোর সময় হেফাজতে ইসলামীর নেতা-কর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর, তার ভাতিজা, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগ নেতাসহ জ্ঞাত ১৫ জন ছাড়াও অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করে ছিনতাই মামলা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হেফাজতে ইসলামীর বরিশাল বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মামলাটি করেন।
মামলার আসামিরা হচ্ছেন—২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, তার ভাতিজা শ্রমিক নেতা মো. মানিক, সেলিম খান, আজাহার মোল্লা, যুবলীগ নেতা মন্নান হাওলাদার, সাইফুর রহমান, মনির মোল্লা, রূপাতলী বাস টার্মিনালের কর্মচারী আবেদ মোল্লা, জাকির মোল্লা, কাউন্সিলরের সচিব গোলাম রহমান, একই এলাকার শাহিন, তার ছোট ভাই শামিম, মো. সোহেল ও পলাশ। আসামিরা রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা। মামলায় আরো অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
বিচারক মো. মাসুদুর রহমান কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্যকে (ওসি) ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
বাদী পক্ষের আইনজীবী সাদিকুর রহমান লিংকন জানান, গত ৭ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামীর ডাকা হরতালের আগের দিন রাতে রূপাতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় লিফলেট বিতরণকালে হামলা চালায় আসামিরা। এ সময় নেতা-কর্মীদের মারধর করে তাদের সাথে থাকা ১০টি মোবাইল সেট ছিনিয়ে নেয়া ছাড়াও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে এক লাখ ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয়। কোতয়ালী মডেল থানায় ব্যর্থ হয়ে আদালতে মামলা করা হয়েছে।
