শিক্ষক সংকটে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে স্থানীয় সরকারি মহিলা কলেজ। এদিকে কলেজটিতে খুব শিগগিরই চালু হচ্ছে অনার্স কোর্স। শিক্ষক সংকট সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা পড়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। উল্লেখ্য,
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি ১৯৭৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর নিজস্ব ভবনে প্রবেশ করে। উদ্বোধন করেন তত্কালীন বিভাগীয় কমিশনার শফিউল আলম।
প্রকাশ, কলেজে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেড় হাজার। কলেজে শিক্ষকের পদ ৩০টি থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৬ জন। এক শিক্ষক বলেছেন, শিক্ষকের স্বল্পতা আছে। এরপরও শিক্ষার্থীদের তা বুঝতে দেয়া হয় না। অতিরিক্ত ৩ খেকে ৪টি ক্লাস ভাগ করে নিয়ে কলেজ চালানো হচ্ছে।
প্রয়োজনের তুলনায় এখানে পাঠদানের রুমও আছে যথেষ্ট পরিমাণে। কিন্তু নেই একাডেমিক ভবন, অডিটোরিয়াম ও প্রয়োজনীয় বেঞ্চ। এছাড়াও কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের জন্য থাকার তেমন সুব্যবস্থা নেই। পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪টি টিনসেড ঘর পড়ে আছে। এর মধ্যে দুটি ঘর ব্যবহার করছেন দুজন শিক্ষক। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর চৌধুরী লায়লা আরজুমান্দ বানু বলেন, শিক্ষক সংকটসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে চেষ্টা চলছে। ছাত্র সংসদ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বলেন, কলেজটিতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই। কলেজ প্রতিষ্ঠাকাল থেকে ছাত্র সংসদ হয়নি।
