আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফের বাসা লক্ষ্য করে তিনটি ককটেল ছুঁড়েছে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা। তবে এগুলো বিস্ফোরিত হয়নি। গতকাল শনিবার বিকাল সোয়া চারটার দিকে একটি মোটরসাইকেলে দুই যুবক গুলশানের আজাদ মসজিদের কাছে ৫/এ নম্বর সড়কের ১৫৫ নম্বর বাসা (এ বাসাতেই হানিফ থাকেন) লক্ষ্য করে তিনটি ককটেল ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ককটেলগুলো তার বাসার জানালায় লাগে। এতে জানালার একটি কাঁচ ভেঙে গেছে। খবর পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ককটেলগুলো উদ্ধার করে।
গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার লুত্ফুল কবির বলেন, এই হামলা পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা যতদ্রুত সম্ভব জড়িতদের আটক করবো। এদিকে হানিফের বাসার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ কনস্টেবল আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিকাল সোয়া চারটার দিকে হানিফ সাহেবের স্ত্রী ফৌজিয়া বাসার মূল ফটক খোলার সময় হঠাত্ মোটরসাইকেলে দুই যুবক এসে পর পর তিনটি ককটেল ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে সেগুলো বিস্ফোরিত হয়নি। তিনি কাউকে চিনতে পারেননি বলে জানান।
এ ব্যাপারে মাহবুব-উল-আলম হানিফ ইত্তেফাককে জানান, গতকাল বিকাল ৪টার দিকে আমার স্ত্রী ও সন্তানরা গাড়ি নিয়ে বাসায় ঢুকছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক মোটরসাইকেল থেকে তিনটি ককটেল ছুঁড়ে মারে এবং পালিয়ে যায়। ঐ গাড়িতে আমি আছি মনে করেই তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা করে। পরে খবর পেয়ে আমি বাসায় আসি। হানিফ বলেন, আমার ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক, পারিবারিকভাবে কারো সাথে কোন বিরোধ নেই। তবে রাজনীতিবিদ হিসাবে আমি জামায়াত-শিবিরের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সত্য কথা বলে যাচ্ছি। এজন্য আমাকে ভয় দেখানোর জন্যই এ নাশকতা করার চেষ্টা করা হতে পারে। ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় কোন আইনী পদক্ষেপ নিবেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এসেছে। ঘটনাটি তারা তদন্ত করছেন।
