জাদুঘরে চোর
ওয়াক আউট। সংসদ নয়, জাদুঘর থেকে। যেনতেন কোন জাদুঘর নয়, ফ্রান্সের ল্যুভ্র জাদুঘর থেকে পরিস্থিতি ভালো না হওয়া পর্যন্ত কাজ করবেন না জানিয়ে বেরিয়ে এসেছেন ২শ’ কর্মী। কারণ হলো পকেটমারদের অস্বাভাবিক উত্পত্তি! বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় জাদুঘরগুলোর একটি প্যারিসের ল্যুভ্র জাদুঘর। বছরে কমপক্ষে এক কোটি পর্যটক ফ্রান্সের রাজধানীতে যান শুধু ওই জাদুঘরে একটিবার ঢুঁ মারার স্বপ্ন পূরণ করতে। সেই জাদুঘরেই কিনা পকেটমারের উত্পাত! প্রতিদিন একটি পকেটমার দল এসে জাদুঘরে নাকি এমন উত্পাত করে যে, সেখানে কর্মীদের জন্য কাজ করাই প্রায় অসম্ভব। কর্মীরা বাধা দিলে তাদেরকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। —এএফপি
জার্জিয়ায় ইরানীদের বসবাস
ইরানের উপর পাশ্চাত্যে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার করণে সে দেশের অনেক মানুষের জীবন কঠিন হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে সরকারের সমালোচনা করে অনেক ইরানী সরকারের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এমন অবস্থায় অনেক ইরানী দেশ ছেড়ে সাবেক সোভিয়েত রাজ্য জর্জিয়ায় পাড়ি জমাচ্ছেন। ইরান থেকে জর্জিয়ায় ভ্রমণের হার গত বছরের তুলনায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। বর্তমানে ছয় হাজার ইরানী জর্জিয়ায় বসবাস করছে। —বিবিসি
হল্যান্ডের টিউলিপ গার্ডেন
হল্যান্ডের টিউলিপ গার্ডেনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বছরে সাত লক্ষাধিক পর্যটক আসেন চোখ জুডানো আর মন ভোলানো টিউলিপ বাগান দেখতে। তার মধ্যে প্রতিবেশি দেশ জার্মানি থেকেই আসেন প্রায় দেড় লাখ পর্যটক। প্রতিবছর মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে মে মাসের মাঝামাঝি অর্থাত্ মাত্র দু’মাস খোলা থাকে এই টিউলিপ গার্ডেন। প্রতিটি পর্যটকের কাছেই রয়েছে ক্যামেরা কারণ সারাদিনের ভালো লাগাকে বন্দি করে রাখতে। কেউ ক্যামেরা আনতে ভুলে গেলেও মন খারাপ করার কোনো কারণ নেই। টিউলিপ পার্কের পাশেই রয়েছে নানা দামের সাইজের ক্যামেরার দোকান। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সারা বিশ্বের আবহাওয়ায় যে পরিবর্তন এসেছে সেকথা সবারই জানা। তাই টিউলিপ বাগানের ব্যবস্থাপনায় যারা রয়েছেন তাদের পর্যকদের প্রতি পরামর্শ, পুরো সৌন্দর্য উপভোগ করতে, এ বছর একটু দেরিতে আসুন।—ডয়েচে ভেলে
