কক্সবাজারে ও রাঙ্গামাটিতে বজ্রপাতে ৪ জন নিহত

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৩, ২২:২৫
মঙ্গলবাজার বজ পাতে কক্সবাজারে তিনজন, রাঙ্গামাটিতে একজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছে। এছাড়া কালবৈশাখীতে এসব স্থানে প্রায় সাড়ে ছয়শ’ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাঙ্গামাটি শহরসহ বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুত্ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কক্সবাজার প্রতিনিধি :কক্সবাজারে ঝড়ে ৫ শতাধিক বসতবাড়ি ও হাজার খানেক পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ঝড়ের তোড়ে ৫ হাজারের বেশি বৃক্ষ উপড়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলার উপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যায়। নিহতরা হলেন কক্সবাজার সদরের ইসলামপুর ইউনিয়নের নতুন অফিস জওন্নাকাটার মোঃ আবুল কাসিম প্রকাশ কাসিম মাঝির ছেলে মোঃ লিটন (১৮), চকরিয়ার খুটাখালী ইউনিয়নের ফরেস্ট অফিস পাড়ার মৃত গোলাল সোলতানের ছেলে জামাল উদ্দিন প্রকাশ জামাল ফকির (৫০) ও মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের আলম শরীফের ছেলে এরশাদ উল্লাহ (২২)। এসময় বজ্রপাতে আর অন্তত ১৩ জন আহত হয়। কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য লুত্ফুর রহমান কাজল জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে কক্সবাজার সদর ও রামুর বিভিন্নস্থানে গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে কয়েকশত বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। চকরিয়া (কক্সবাজার) সংবাদদাতা: চকরিয়ায় কালবৈশাখীর শিলাবৃষ্টি ও বজ পাতের ফলে ফসল, রাস্তাঘাট ও বেশকিছু ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি: মঙ্গলবার সকালে রাঙ্গামাটিতে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে শতাধিক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত এবং বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এবং রাস্তার উপর অসংখ্য গাছ ভেঙ্গে পড়ায় কয়েকটি স্থানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া বিদ্যুত্ লাইনের উপর গাছ উপড়ে পড়ায় শহরে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুত্ সরবরাহ। প্রচণ্ড ঝড়ো হওয়ার সাথে বজ্রপাতে নানিয়ারচর উপজেলায় বুড়িঘাট ইউনিয়নে রামহরি পাড়ায় বাইরা চাকমা নামের সাত বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান বুড়িঘাট ইউপি চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসা। জেলা প্রশাসক মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, আকস্মিক প্রচণ্ড বেগে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে রাঙ্গামাটি শহরের কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও বিদ্যুত্ লাইনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দোহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা: মঙ্গলবার চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার ওপর দিয়ে মওসুমের প্রথম কালবৈশাখী ঘূণিঝড় বয়ে যায়। দুপুর ১২টার সময় ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া এ ঝড় ৫ মিনিট স্থায়ী হয়। ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৫০টিরও বেশি কাঁচাঘরের চালা উড়ে যায়। অসংখ্য গাছপালা উত্পাটিত হয়েছে। ঝড়ে বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে তার ছিঁড়ে গিয়ে দোহাজারী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৮ ঘন্টা বিদ্যুত্ সরবরাহ বন্ধ থাকে। ঝড়ে এলাকার শত শত হেক্টর জমিতে আবাদকৃত মওসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।