স্ত্রী :এই আজকের এই ডিশটা খেতে কেমন হয়েছে বলো তো?
স্বামী :তুমি কষ্ট পেলেও বলতে হয় যে খাবারটা একদমই স্বাদ হয়নি।
স্ত্রী :কিন্তু আমি যে এটা বিখ্যাত রাঁধুনি সেলিম খানের রেসিপির বই দেখে বানিয়েছি!
স্বামী :তাহলে মনে হয় রেসিপির বইটার বানান খুব ভুল ছিল!
দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে—
প্রথম বন্ধু :কী রে, তোর বিবাহিত জীবন কেমন কাটছে।
দ্বিতীয় বন্ধু :না রে, তেমন ভালো আর কাটছে কই? আমার বৌ’র সকালে এক অভিযোগ তো বিকালে আরেক অভিযোগ!
প্রথম বন্ধু :কেমন অভিযোগ শুনি?
দ্বিতীয় বন্ধু :এই ধর কাল সকালে একটা দাওয়াতে যাবো বলে যখন বেরুতে গেলাম তখন আমার বৌ তার ওয়াড্রব খুলে বলতে লাগল তার না কি দাওয়াতে পড়ে যাওয়ার মতো একটা কাপড়ও নেই। আর বিকেলে যখন দাওয়াত থেকে ফিরলাম তখন আমার বৌ তার জামাকাপড় পাল্টে ওয়াড্রবে রাখতে যেয়ে বলল যে সেখানে নাকি এত কাপড় যে কোনো কাপড়ই ঠিকমতো গুছিয়ে জায়গা করে রাখা যায় না!
একবার এক পরিদর্শক পাগলাগারদ পরিদর্শনে গেলেন।
পরিদর্শক :আপনারা কীভাবে বোঝেন যে একজন রোগী সুস্থ হয়েছে?
ডাক্তার :প্রথমে আমরা রোগীদের বাথরুমে বাথটাবের কাছে নিয়ে যাই। বাথটাবটা পানি দিয়ে পূর্ণ করি। তাদের আমরা একটি চামচ, একটি মগ ও একটি কাপ দিই। তারপর তাদের বাথটাবটি পানিশূন্য করতে বলি। তাদের পানিশূন্য করার নিয়ম দেখেই আমরা বুঝি কে সুস্থ হয়েছে।
পরিদর্শক :যদি তারা মগ দিয়ে পানি ফেলে দেয়। তাহলে নিশ্চয়ই আপনারা তাকে সুস্থ বলেন?
ডাক্তার :না, যদি তারা সম্পূর্ণ সুস্থ হয়, তবে বাথটাবের পানি বের করার প্ল¬াগ তুলে ফেলবে, তবেই আমরা ধরে নেই, সেই রোগী এখন সুস্থ হয়েছে। তা, আপনার জন্য কী এখানকার একটা রুম বুক করব?
