বাঁশখালীতে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে আহত ১২

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৪৭
বাঁশখালীতে রাস্তা কেটে ফেলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ এবং বন্দুক যুদ্ধে ৪ জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষে ১২ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত মোহাম্মদ হোসাইন (৪০), আবদুস সালাম (৪৭), আবদুশ শুকুর (৩০), বাদশা মিয়া (৩৫), ছানাউল্লাহ (৪০), আমান উল্লাহ (৪২), শাহ আলম (৩৮), রুনা আক্তার (২৮), নুর হোসেন (৩০), মিনা আক্তার (২০) ও মো: রুবেল (৩২) কে বাঁশখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল (বুধবার) সকালে উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা সকাল বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনায় এলাকায় দুটি পক্ষের মাঝে তীব্র উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার পশ্চিম বড়ঘোনা সকাল বাজার এলাকায় গতকাল সকালে স্থানীয় মৃত ছাবের আহমদের ছেলে আবদুস সালাম ও একই এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ হোসাইনের লোকজনের মাঝে রাস্তা কাটা নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি ও পরে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষে ধারালো অস্ত্র ও প্রকাশ্যে অগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গুলিবিনিময় শুরু করে। এতে উভয় পক্ষে মহিলাসহ ১২ জন আহত হয়। গুলিবিনিময় ও সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকায় আতংক বিরাজ করার পাশাপাশি সকাল বাজারের সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষে স্থানীয় ডাকাত সন্ত্রাসীরা অংশ নেয় বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার ব্যাপারে এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। এদিকে বাঁশখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়াছিন সিকদার (২৮) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ ছনুয়ার নিজ গ্রামে দাফন করা হয়। গত মঙ্গলবার সকালে আনোয়ারা উপজেলার শোলকাটা রাস্তার মাথা এলাকা থেকে পুলিশ প্রথমে বেওয়ারিশ হিসেবে তার লাশ উদ্ধার করে চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন। গতকাল দুপুরে আত্মীয়-স্বজনরা হাসপাতাল মর্গে তার লাশ শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্ত শেষে বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নের আভাখালীতে নামাজে জানাজা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। অপহরণের ৬ দিন পর মঙ্গলবার তার লাশ উদ্ধার করা হল। পুলিশ জানায়, নিহত ইয়াছিনের শরীরে গুলি ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।