লাইটারেজ জাহাজ ধর্মঘট নিয়ে হার্ডলাইনে সরকার

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০১৩, ২২:২৭
লাইটারেজ জাহাজ ধর্মঘট নিয়ে হার্ডলাইনে সরকার। বিএসসি’র মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ রুটে পণ্য পরিবহনের জন্য লাইটারেজ জাহাজ ভাড়া ও আমদানিকারকদের কাছ থেকে চাহিদাপত্র চাওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে আন্দোলনকারী লাইটারেজ জাহাজ মালিকরা। তবে এখনো পর্যন্ত লাইটারেজ জাহাজ ভাড়া নিয়ে সাড়া মিলেনি। চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আমদানি করা পণ্য নিয়ে জাহাজের জট বাড়ছে। বর্তমানে ৩০টি জাহাজ পণ্য নিয়ে অপেক্ষা করছে। কয়েকদিনের মধ্যে আরো কিছু জাহাজ আসবে। এ অবস্থা আরো অব্যাহত থাকলে বন্দরে অচলাবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। লাইটারেজ জাহাজ মালিকদের সাথে একাধিকবার বৈঠক করে সমঝোতায় না পৌঁছায় সরকার বিকল্প উদ্যোগ নিয়েছে। বিএসসি সূত্র জানায়, বিএসসি’র জাহাজগুলোর পণ্য পরিবহনের ধারণ ক্ষমতা প্রায় ১৩ হাজার টন। এই পরিমাণ পণ্য প্রাইভেট লাইটারেজ জাহাজের মধ্যে খালাস করতে ৭৫ হাজার ডলার খরচ পড়ে। আবার বিএসসি’র বড় জাহাজগুলোর মাধ্যমে করলে ৪২ হাজার ডলার খরচ হয়। আর এসব পণ্য লোড ও আনলোড করতে অন্তত ১০ দিন সময় লাগে। এদিকে খালাস করা পণ্য অভ্যন্তরীণ নৌপথে পরিবহনের জন্য লাইটারেজ জাহাজ ভাড়া চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)। একইসাথে আমদানিকারকদের কাছ থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য চাহিদাপত্র চাওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিএসসি’র নির্বাহী পরিচালক (বাণিজ্য) মোস্তফা কামাল উদ্দিন ইত্তেফাককে বলেন, ‘জাহাজের জট বেড়ে যাওয়ায় সরকারের হাডলাইনে গেছে। অনেক লাইটারেজ জাহাজ মালিক ভাড়ায় পণ্য পরিবহনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করছে। জাহাজ মালিকরা সরকারকে জিম্মি করতে পারে না।