চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার গমের বাম্পার ফলন হচ্ছে। সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এগ্রিকালচার সাসটেইনেবল এন্ড সোসিও ইকোনোমিক ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসেডো)’র দেয়া উন্নত জাতের গমবীজ আবাদ করে প্রতি বিঘায় ১১ থেকে ১২ মণ ফলন পাচ্ছেন কৃষকেরা। গম চাষে খরচও কম হচ্ছে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। এ উপলক্ষে গত বুধবার নারায়ণপুরে নদী ও জীবন-২ প্রকল্পের আওতায় এক কৃষক মাঠ দিবসের আয়োজন করে এসেডো। মাঠ পরিদর্শন শেষে ডা. এরফান আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপসহকারী কৃষি অফিসার মমিনুল ইসলাম, নদী ও জীবন প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোস্তফা মো. নুরুন নবী, শিক্ষক ইসমাইল হক, প্রভাষক গোলাম জাকারিয়া, কৃষক ঝড়ুপদ সাহা, মো. টুলু, তরিকুল ইসলাম, রুস্তম আলী, আব্দুল খালেক, সুলতান আলীসহ অন্যরা।
মোস্তফা মো. নুরুন নবী জানান, বিএডিসি থেকে ১ টন গম বীজ সংগ্রহ করে নারায়ণপুর ইউনিয়নের ৫০ জন কৃষকের মাঝে সরবরাহ দেয়া হয়। জাতের মধ্যে রয়েছে প্রদ্বীপ ও শতাব্দি। মাঠ দিবসে উপস্থিত কৃষকেরা জানান, এই দুটি জাতের গম আবাদ করে এবার বাম্পার ফলন পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি বিঘায় ১১ থেকে ১২ মণ গম পাওয়া যাচ্ছে বলেও তারা জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসরাণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, জেলায় এবার প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। প্রতিবিঘায় গড়ে ফলন হচ্ছে সাড়ে ১১ মণ। এবার ১ লাখ মেট্রিক টন গম উত্পাদন হবে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ধানের চেয়ে গম আবাদে খরচ কম এবং গমের দামও ভাল পাবার কারণে গত মওসুম থেকে কৃষকেরা গম আবাদে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
