আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের যে সকল রাজনীতিবিদ বর্তমানে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন এবং দেশের পরিস্থিতি অশান্ত করতে চাচ্ছেন তাদেরকেও জেলে নিতে হবে। কারণ তাদের জেলে নিলেই দেশের পরিস্থিতি একেবারে শান্ত হবে।
শুক্রবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশন মিলনায়তনে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলন ২০১৩’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি-জামায়াত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে কামরুল ইসলাম আরো বলেন, আপনাদের আচরণের ওপর নির্ভর করবে কে জেলের বাইরে থাকবেন, আর কে ভিতরে থাকবেন। যিনি যত বড় নেতাই হোন না কেন, আপনারা যে পথে হাঁটছেন তা কঠোর হাতে রুদ্ধ করা হবে। কারাগারে আটক বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা জেলে বন্দী এটা খুবই দুঃখজনক। কিন্তু আসলে যারা বন্দী তারা রাজনৈতিক দলের আবরণে সন্ত্রাসীদের নেতা। আইন প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য উন্মাদ হয়ে গেছে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের এই ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দফতরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষা আন্দোলনে সরকার সব সময়ই সচেতন। সম্মেলনে উত্থাপিত শ্রমিকদের ১২ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকার অবশ্যই সহায়তা করবে। এ সময় তিনি শ্রমিকদের দাবি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসার জন্য মালিকদের প্রতিও আহ্বান জানান। ইনসাফের সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, শিল্প প্রতিমন্ত্রী উমর ফারুক চৌধুরী, বাংলাদেশের ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শহীদুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।
