পুলিশ গতকাল আরো ১০জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এনিয়ে ঘটনার পর গত ৮দিনে যৌথ বাহিনী মোট ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এদের মধ্যে কোন কিলার আছে কিনা বা হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উম্মোচিত হলো কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ভূজপুর থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসেন মামলার তদন্ত এবং গ্রেপ্তারের স্বার্থে এব্যাপারে মন্তব্য করেননি। তবে থানার অপর একটি নির্ভযোগ্য সূত্রে জানা গেছে গ্রেপ্তারকৃত বেশ কয়েকজন কিলিং মিশনের সদস্য রয়েছে এবং এদের নিকট থেকে বাকী কিলার এবং ঘটনার পরিকল্পনাকারীদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়ে গেছে পুলিশ। এখন চলছে ক্যাডারদের পাশাপাশি ঘটনার গডফাদারদের গ্রেপ্তারের ম্যারাথন অভিযান। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো. ফরিদ উদ্দীন এর নেতৃত্বে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছে।
এদিকে গত ১৮এপ্রিল রাতে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী ফোরকানের বাবা এজাহার মিয়া বাদী হয়ে ১১৯জনকে সুনির্দিষ্ট আরো ২/৩হাজারকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি ও জাহাঙ্গীর আলম রুবেলের বাবা জামাল পাশা শওকত বাদী হয়ে ৯৮জনকে সুনির্দিষ্ট এবং আরো ২/৩হাজার জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে দুটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে এজাহারভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পুলিশ তাদের নাম জানাতে অস্বীকৃতি জানায়।
্অপরদিকে স্থানীয় একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে সেদিনের হামলার মূল টার্গেট ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা এটিএম পেয়ারুল ইসলাম এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতা। কিন্ত বাইরে থেকে এনে জড়ো করা শিবির ক্যাডাররা এটিএম পেয়ারুল ইসলামকে না চিনে একই গ্রামের হেলাল উদ্দিন পেয়ারু নামে এক যুবলীগ কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক যখম করে। তিনি এখনো চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।
