ধামইরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৫২
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ৫০ শয্যার সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আটাশ মাস ধরে প্রসূতিদের অস্ত্রোপচার (সিজারিয়ান অপারেশন) বন্ধ রয়েছে। গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সিজারিয়ান ডাক্তার না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে দরিদ্র প্রসূতিদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসের আগ পর্যন্ত ধামইরহাট স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রতি মাসে পড়ে ১৫ জন প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করা হতো। গাইনি বিশেষজ্ঞ না থাকলেও তখন ডা. শাহ আলম তালুকদার সিজারিয়ান অপারেশন করতেন। হাসপাতালের অপর চিকিত্সকেরা তার সাহায্য নিয়ে প্রসূতিদের অস্ত্রোপচার করতেন। হঠাত্ ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে ডাক্তার আলম বদলি হয়ে গেলে প্রসূতিদের তখন থেকে অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ক্লিনিক ও ব্যক্তি মালিকানাধীন হাসপাতালের চেয়ে কম টাকায় প্রসূতিদের অস্ত্রোপচার করা হতো। তাই গরিব পরিবারের প্রসূতিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যেতেন। কিন্তু সেই সুযোগ না থাকায় টাকার অভাবে ওই প্রসূতিরা ক্লিনিক ও ব্যক্তি মালিকানাধীন হাসপাতালে যেতে পারছেন না। এ কারণে বাড়িতে সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে অনেক মায়ের বড় ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কেউ কেউ মারাও যাচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলাউদ্দিন বলেন, গাইনি বিশেষজ্ঞ ও ডাক্তার সংকটের কথা বেশ কয়েকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু ডাক্তার সংকট নিরসনে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।