গতকাল রবিবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পালিত হলো প্রতিরোধ দিবস। ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল পাক-হানাদার বাহিনী দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ গোয়ালন্দ ঘাট দখলের জন্য হামলা করে। একই দিন বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ২৪জন নর-নারীসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজনকে হত্যার পর পুড়িয়ে দেয় গ্রামটি। স্বাধীনতার ৪২ বছর পরও তাদের গণকবর অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে।
২১ এপ্রিল প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সকালে উজানচর বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে শহীদদের স্মরণে নির্মিত নামফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান হাসান ইমাম চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছরোয়ার হোসেন, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান মিয়া, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধা প্রমুখ। শহীদ পরিবারের পক্ষেও শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। পরে বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় ইউপি চেয়ারম্যান গোলজার হোসেন মৃধার সভাপতিত্বে শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল গোয়ালন্দে পাক-হানাদার বাহিনী প্রথম প্রবেশ করে বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ২৪ জনসহ অজ্ঞাত অনেককেই হত্যা করে। প্রকাশ, গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দর হওয়ায় পাক-বাহিনী গোয়ালন্দঘাট দখলে মরিয়া হয়ে ওঠে। কেননা ঘাট দখল করতে পারলে রাজবাড়ী, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অভিযান চালানো সহজ হবে। তাই আরিচায় বিশাল যুদ্ধবহর নিয়ে তারা গোয়ালন্দঘাট আক্রমণের কৌশল গ্রহণ করতে থাকে।
