বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সদস্য রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এ জটিলতা নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। শান্তি চুক্তি এই সরকারের আমলে বাস্তবায়ন না হলে আর বাস্তবায়নের পর্যায়ে নেয়া যাবে না। এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত হলে জাতীয় রাজনীতিতেও এর প্রভাব পড়বে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে গতকাল সোমবার ‘পার্বত্য-চট্টগ্রাম চুক্তি (১৯৯৭) বাস্তবায়নের বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিকভাবে আলোচনা ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এজন্য সরকারকেই উদ্যোগী হতে হবে। সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিজানুর রহমান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি আনতে হলে চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। এই শর্ত বাস্তবায়ন ছাড়া কোনোভাবেই শান্তি আসবে না। চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছার ঘাটতি না থাকলেও সরকারের কাছে এ ব্যাপারে ভুল তথ্য দেয়া হচ্ছে।
সেমিনারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক সৌরভ শিকদার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন—মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ড. নিরু কুমার চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের প্রতিনিধি গৌতম কুমার চাকমা, আদিবাসী নেতা শক্তিপদ ত্রিপুরা প্রমুখ।
