ক্যাম্পাসের প্রিয় মুখ রনক। পুরো নাম রনক ইকরাম। রনকের লেখা পড়ে চমকে উঠতে হবেই। অল্প বয়সেই ব্যস্ত লেখক হয়ে উঠেছেন রনক। আমাদের এবারের ক্যাম্পাস তারকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রনক ইকরাম। কুমিল্লার ছেলে রনক। বেড়ে উঠেছেন গ্রামের ছায়া মাড়ানো পথে হেসে খেলে। বাবা রেজাউল করিম আর মা মনোয়ারা বেগম। একমাত্র অনার্স পড়ুয়া বোন পড়ছেন ইডেন কলেজে। বাংলাদেশে রহস্যধর্মী ফিচারের যাত্রা শুরু হয়েছে তার হাত ধরে। এখন পর্যন্ত রনকের ২১টি বই প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলো পেয়েছে পাঠক প্রিয়তাও। কথা হলো রনকের সঙ্গে। লেখালেখির শুরু ক্লাস এইটে পড়ার সময়। সে সময় হলুদ খামের প্রতি মোহ ছিলো ছেলেটার। ক্লাস এইটে পড়ার সময় থেকেই হলুদ খামের প্রেমে পড়ে সে। হলুদ খামে ভরে লেখা পাঠাতো। অজোপাড়া গায়ের এই ছেলেটার লেখা ছাপা হতো দেশের প্রথম সারির দৈনিকগুলোতে। স্বপ্নের মতো ছিলো সে সময়। রনক নিজেকে নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ‘আমার বেড়ে উঠা লেখালেখির সঙ্গে। ছোটবেলায় বন্ধুদের আড্ডায় লেখালেখি নিয়ে কথা বলতাম। নতুন লেখা আসলেই তাদের দেখাতাম। বন্ধুরা উত্সাহ দিতো। ২০০৪ সালে ভর্তি হই নটরডেম কলেজে। এরপর থেকেই পূর্ণতা পেতে থাকে লেখালেখির নেশা।’
কলেজের গন্ডি পেড়িয়ে রনক ভর্তি হোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। বর্তমানে রনক কর্মরত আছেন দেশের একটি স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিকে। একটু আবেগ জড়িত কণ্ঠে রনক বলেন, ‘এখন পুরোদমে হয়ে উঠেছি লেখালেখির মানুষ। অসংখ্য ছোট ভাই ছোট আপুরা উত্সাহ দিয়েছে আমাকে।’ লেখালেখি নিয়ে রনক বলেন, আমি লেখালেখির চেষ্টা করছি। সেই লেখা ভালো নাকি মন্দ সেটা সময় বলে দেবে।
রনকের লেখা উল্লেখযোগ্য বইগুলো হলো-মেঘফুল তোমার জন্য (কাব্য গ্রন্থ), ভূতুস (শিশু -তোষ গল্প), অবাক পৃথিবী (১ম-২য়- ৩য় খন্ড), বিশ্ব জুড়ে বাংলাদেশ (নন ফিকশন), এমবিবিএস ভূত (শিশুতোষ গল্প), বইভরা ভূত (শিশুতোষ ছড়া), তুতেন খামেনের মমি রহস্য (গবেষণাধর্মী নন ফিকশন), সাত রহস্য (গবেষণাধর্মী নন ফিকশন), ডিজে ভূত (শিশুতোষ গল্প), ইফতি গাছের সঙ্গে কথা বলে, নার্সারী ছড়ার জন্ম রহস্য, আলগা পিরিত, ডোন্ট মাইন্ড জোকস, দার্শনিক ভালোবাসা।
