১৯৭১ সালে স্থাপিত হয় এ. কে. স্কুল এন্ড কলেজ। তবে ১৯৯৫ সালে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। দনিয়ার আক্কেল আলী ও কোব্বাত আলী প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা মহানগরের দনিয়ায় অবস্থিত। বর্তমানে স্বপ্নের চাইতেও বেশি অগ্রসর স্কুলটি। এখানে মানবিক, বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষাসহ তিনটি বিভাগ চালু আছে। স্কুলের পিএসসি পরীক্ষায় পাসের হার শতভাগ এবং এসএসসি পরীক্ষায়ও পাসের হার শতভাগ। স্কুলে বর্তমানে প্রায় ৯ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর পাঠদানের জন্য রয়েছে প্রায় ২ শত শিক্ষক। তবে স্কুলের নিজস্ব খেলার মাঠ না থাকায় বিপাকে আছে শিক্ষার্থীরা। স্কুলটির অবকাঠামো ও পরিবেশ যেকোন পথিকের নজর কাড়ে। খেলাধুলা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে চলেছে। স্কুলের এ ঐতিহ্যের পেছনে রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলীর প্রচেষ্টা, পরিচালনা পর্ষদ ও এলাকার অভিভাবকদের সহযোগিতা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃতিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে এই স্কুলের বহু ছাত্র-ছাত্রী। বর্তমানে অধ্যক্ষ মো: সেলিম ভূঁইয়া-এর পরিচালনায় একদল দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকার স্নেহের পরশে ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যয়নরত আছে।
সাদিয়া তাবাস্সুম
১০ম শ্রেণি (বিজ্ঞান) , রোল নং-১
১৯৭১ সাল থেকে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে অনেকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিষ্ঠানটি সামনের দিকে আরো সুনামের সঙ্গে ভালো ফলাফলে অবদান রাখবে এটা আমার প্রত্যাশা। আমি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দেশের প্রথম সারির উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই।
ফাতেমা-তুজ-জোহরা
১০ম শ্রেণি (বাণিজ্য), রোল নং-১
দনিয়া এলাকায় আমাদের স্কুল একটি স্বনামধন্য স্কুল। আমরা আমাদের স্কুল থেকে পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের স্কুলে শিক্ষা সহায়ক নতুন কিছু পদ্ধতি চালু হয়েছে। সকলের উচিত স্কুলের সুনাম অক্ষণ্ন রাখা।
মো. মোতাহার মাহ্তাব
৯ম শ্রেণি, রোল নং-১
বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণ করা খুবই জরুরি। আমি চাই আমাদের বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকুক। যার মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবাগুলো পেতে সহজ হবে। আমার বিদ্যালয়টি ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমি চাই বিদ্যালয়টি দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
তাহসিন আনোয়ার তাবাস্সুম
৯ম শ্রেণি (বিজ্ঞান), রোল নং-১
আমি আমার স্কুল নিয়ে গর্ববোধ করি। আমার স্কুলের ফলাফল প্রতিবছর ভালো হয়। আমাদের স্কুলের শিক্ষকরা অনেক দক্ষ। শিক্ষকরা অনেক যত্ন সহকারে পাঠদান করে থাকেন। স্কুলে পড়াশোনা করতে আমরা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমি চাই আমার স্কুল দেশের সেরা স্কুলে পরিণত হোক।
ইফতেখার আলম সিফাত
৮ম শ্রেণি, রোল নং-১
আমি আমার বিদ্যালয়টি সব দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেখতে চাই। শিক্ষা, বিনোদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ সকল দিক থেকে সমভাবে কৃতিত্বের সঙ্গে এগিয়ে যাক এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষার্থীরা অবদান রাখুক এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি এই বিদ্যালয়টিকে ঢাকাবাসীর অহংকার হিসেবে দেখতে চাই।
শাহরিন শিকদার
৮ম শ্রেণি (শাপলা), রোল নং-১
বিগত বছরগুলোতে আমাদের স্কুলে জেএসসি এবং এসএসসিতে বেশ ভালো ফলাফল করে। আমি প্রত্যাশা করি শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আমাদের স্কুল দেশের সেরা স্কুল হবে। আমাদের শিক্ষকরা দেশসেরা শিক্ষক। আমরা তাদের ছাত্ররাও দেশসেরা হওয়ার আশা রাখি।
সাবিত সারোয়ার
৭ম শ্রেণি, রোল নং-১
ফলাফলের দিক থেকে আমাদের স্কুল সব সময় ভালো করে। আমরা বিদ্যালয়টিকে সব সময় ভালো ফলাফলের সেরা বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। সেই সাথে বিদ্যালয়ের সকল ধরনের সামাজিক কর্মকান্ড ও খেলাধুলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষাসফর প্রভৃতি কর্মকান্ড দেখতে চাই। আমাদের স্কুলের পরিবেশ আরো ভালো দেখতে চাই।
মারিয়া আক্তার শায়লা
৬ষ্ঠ শ্রেণি, রোল নং-১
আমি আমার বিদ্যালয়ে ক্যান্টিন, ফুলের বাগান, পাঠগার ও বিজ্ঞানাগারের আরো উন্নয়ন চাই। এছাড়া প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে একটি আদর্শ বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। সেই সাথে বিদ্যালয়টি এই অঞ্চলের সেরা স্কুল হিসেবে গড়ে উঠুক। যাতে করে আমরা আমাদের এই স্কুলকে নিয়ে গর্ব করতে পারি।
মো. সেলিম ভূঁইয়া
অধ্যক্ষ
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সুনামের সঙ্গে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে যাচ্ছে। এটি ঢাকা মহানগরীর ছেলে-মেয়েদের অন্যতম বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। তবে স্কুলের নিজস্ব খেলার মাঠ নেই। তাই স্কুলের নিজস্ব খেলার মাঠের দাবি জানাচ্ছি। আশা করছি এসব সহযোগিতা পেলে বিদ্যালয়টি দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে। বিদ্যালয়টির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও সাধারণ জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে প্রতিভা বিকাশের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়। ভালো শিক্ষক পেলে ভালো শিক্ষার্থীদের অভাব হয় না। তবে ভালো ফলাফলের জন্য ক্লাসে পড়া দেয়া এবং ক্লাসে পড়া নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।
