প্রয়োজনে বিএনপির শীর্ষ সব নেতাকে জেলে পাঠানো হবে :হাছান মাহমুদ

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৩৫
বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, হরতালের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি বন্ধ না হলে সরকার কঠোর হতে বাধ্য হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রের স্বার্থে প্রয়োজনে বিএনপির শীর্ষ সব নেতাকে জেলে পাঠানো হবে। তিনি বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, হরতাল দিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। আলোচনার দুয়ার খোলা আছে। আসুন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করি। গতকাল মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কৃষক লীগের হরতাল বিরোধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বিরোধী দলের উদ্দেশে হাছান মাহমুদ বলেন, দয়া করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি না করে আলোচনায় আসুন। নইলে জনগণ আপনাদেরকে চিরতরে প্রত্যাখান করবে। হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি করে তার সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেনের অভিযোগটি সত্য প্রমাণ করেছেন। আপনাদের মধ্যে জামায়াত-বিএনপির অনুপ্রবেশ ঘটেছে। তারা আপনাদের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বিরোধী দলের উদ্দেশে বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন হবে। হরতাল নৈরাজ্যের মাধ্যমে আর শক্তি ক্ষয় করবেন না। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, নইলে শেষ সময়ে আম-ছালা দুটোই যাবে। রাজনৈতিকরা যখন সন্ত্রাসী হয় তখন জেলেই তাদের উপযুক্ত স্থান বলে উল্লেখ করে আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যখন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নির্দেশ দেন, বাসে আগুন, রেলে ফিস প্লেট উল্টে ফেলার নির্দেশ দেন, সাদেক হোসেন খোকা, মোশাররফের মত নেতারা যখন ফটিকছড়ির মত ঘটনার আবার ঘটনোর কথা বলেন তখন তারা রাজনীতিবিদ থাকেন না, সন্ত্রাসী হিসেবে পরিগণিত হন। তিনি বলেন, তারা আবারো ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা প্রমুখ।