বগুড়া

যাত্রাপালার মধ্য দিয়ে শেষ হলো পাঁচ দিনব্যাপী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৩, ১৯:৩১
সামাজিক যাত্রাপালা মঞ্চস্থের মধ্য দিয়ে বগুড়ায় শেষ হয়েছে ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও বর্ষবরণ উত্সব। নববর্ষকে বরণ করতে বগুড়া থিয়েটার আয়োজিত ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলার শেষ দিন বৃহস্পতিবার রাতে শহরের পৌর পার্কে (এডওয়ার্ড পার্ক) ওস্তাদ আলাউদ্দিন মঞ্চে নৃত্য বিহীন সামাজিক যাত্রাপালা ‘জীবন নদীর তীরে’ মঞ্চস্থ করে বগুড়া পদাতিক। একটি যৌথ হিন্দু পরিবারের নানা টানা পোড়নের কাহীনি নিয়ে রচিত ‘জীবন নদীর তীরে’ যাত্রাপালার নির্দেশনায় ছিলেন বিশিষ্ট নির্দেশক এম এ জামান । যাত্রাপালাটিতে অভিনয় করেন মানুশ্রী দেবী, সাইফুল ইসলাম ,রনি , উল্কা, মকবুল হোসেন বুলেট, ভবা, তোতা মিয়া, ফজলু মাস্টারসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের যাত্রা শিল্পীরা। বৈশাখী মেলার শেষ দিনে এই যাত্রাপালা দেখতে ভিড় জমিয়েছিল সব বয়সী দর্শক । কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে যুবক যুবতী এবং বিপুল সংখ্যক বয়োজৈষ্ঠ্য দর্শক যাত্রাপালা উপভোগ করেন। আয়োজক বগুড়া থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হাসান ময়না জানান, দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই কাজ করছে গ্রাম থিয়েটার। যাত্রাপালা আমাদের সংস্কৃতির শক্তিশালী একটি সম্পদ। বর্তমানে যাত্রাশিল্পের গায়ে কালিমা লেপন করেছে একশ্রেণীর সাংস্কৃতিক শত্রু। যাত্রার নামে রাতভর মেলাগুলোতে অশ্লীল নৃত্যেও আসর বসিয়ে ঐতিহ্যবাহী যাত্রাশিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয় হয়েছে । আমরা এর থেকে যাত্রা শিল্পকে আবার তার মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে চাই ।