সতর্কতায় বেঁচে গেলেন ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী

আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৪৩
ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরেই রানা প্লাজার দোতালায় ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় প্রধান ফটকে ব্যাংক বন্ধের নোটিস ঝুলিয়ে দেয়া হয়। বিকেল ৪টার মধ্যেই সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভবন থেকে সরিয়ে নেয়া হয়। আর এই সতর্কতায় বেঁচে যায় ওই শাখায় কর্মরত ১১টি প্রাণ। বেঁচে যাওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেছেন, যদি আমাদের মতো উপর তলার গার্মেন্টেস কর্তৃপক্ষ একটু সাবধান হতো তাহলে শতাধিক প্রাণ এভাবে ঝড়ে যেতো না। ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বুধবার ধসে পরলেও ভবনটি আগে থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত ছিলো। মঙ্গলবার ভবনের কর্তৃপক্ষ ভবনটি ‘নিরাপদ’ বলে দাবী করলেও নিরাপত্তাহীনতায় ব্র্যাক ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ ব্যাংক না খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার সকালে ব্যাংকের নির্ধারিত কার্যক্রম শুরু হবার পর শাখার পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ঘটনার বিস্তারিত জানান। এর পর পরই ব্যাংক বন্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং নোটিস ঝুলিয়ে দেয়া হয়। পার্শ্ববর্তী অন্যান্য শাখা থেকে ব্যাংকের সেবা নেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। বুধবার সকালে গার্মেন্টসের সামনে ওই ভবনে অবস্থিত গার্মেন্টেসের অনেকেই কাজ না করে ফিরে যেতে চায়। তখন ভবন মালিক বলেছে ‘বিল্ডিং ঠিক আছে, ধসে পরার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু ব্র্যাক ব্যাংকের সাভার ব্র্যাঞ্চ বুধবার বন্ধ রাখা হয়। সংস্কার কাজ না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। পূর্বে ভবনের তিন তলায় ফাটল দেখে যাওয়ার পর থেকে ভবন সংশ্লিষ্ট সকলেই বার বার মালিককে ভবন সংস্থার করতে বলেছে। ঝুঁকির কারণে গত এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিনই ওই ভবনে কর্মরত শ্রমিকরা আশঙ্কার কথা বলাবলি করতো। কিন্তু ব্র্যাক ব্যাংক ছাড়া ওই ভবনের অন্যরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি।