তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৩, ২০:০১
গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে শেয়ারবাজারের লেনদেন ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন হয়েছে মাত্র ১১২ কোটি টাকা। যা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ১০১ কোটি টাকা। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৩ পয়েন্ট কমে ৩ হাজার ৫০৩ পয়েন্টে নেমে এসেছে। সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ৬ পয়েন্ট। আর ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০৮ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১১২ কোটি ৮৪ লাখ ৩২ হাজার টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ১৮ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৭২টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০১টির, কমেছে ১৪০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩১টির। এদিকে আসন্ন বাজেটে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ ও বাজারের উন্নয়নে ১০ হাজার কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যপরিষদ। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে (প্রাথমিক গণপ্রস্তাব) বরাদ্দকৃত কোটা পদ্ধতি ২০১৬ সাল পর্যন্ত বাড়ানোরও দাবি করা হয়। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান বিনিয়োগকারীরা। ১৩ দফা দাবি উল্লেখ করে শেয়ারবাজারের উন্নয়নে বিনিয়োগকারীরা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের সুদ মওকুফ করা, ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের ১০ শতাংশ বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বহাল রাখা, ২ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনের কর মওকুফ করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশে উন্নীত করার পাশাপাশি তা ২০১৬ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী সম্মিলিত জাতীয় ঐক্যের সদস্য সচিব আ.ন.ম আতাউল্লাহ নাইমসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।