জোকস

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০১৩, ২০:৫০
স্যার ক্লাসে ঢুকে একটা বিরাট অট্টহাসি দিয়ে বললেন, একাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার শিক্ষকদের পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদেরও ঈদ বোনাস দেওয়া হবে। পুরো ক্লাস হইহই করে উঠল। এক ছাত্র বিনীত সুরে বললো ‘স্যার, দয়া করে যদি বলতেন ‘বোনাস’ হিসেবে আমাদের ঠিক কী দেওয়া হবে।’ স্যার বললেন, আগে বললে তো মজাটাই নষ্ট হয়ে যাবে, তারপরও বলি, ১০টা অতিরিক্ত ক্লাস। সর্দারজি ও তার বন্ধু গিয়েছেন এক পাঁচ তারকা হোটেলে। খাওয়ার টেবিলে বসে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে আসা দুটি স্যান্ডউইচ বের করে খেতে শুরু করলেন তারা। তা দেখে ওয়েটার চেঁচিয়ে উঠল, ‘না না না, এখানে আপনারা নিজেদের কোনো খাবার খেতে পারেন না!’ সর্দারজি খানিক ভেবে বললেন, ‘তাহলে আমি আমার বন্ধুরটা খাই, আমারটা ও। কী বলেন?’ শিক্ষক :ছি ছি। তোমার লজ্জা করে না। তুমি তিন বছর ধরে একই ক্লাসে পড়ছ। অথচ তোমার বয়সে আমি প্রতি ক্লাসেই প্রথম হতাম। ছাত্র :আপনাকে নিশ্চয়ই অনেক ভালো শিক্ষক পড়াত! এক বন্ধু বেশ রাগ করেই আরেক বন্ধুকে বলছে— প্রথম বন্ধু :হ্যাঁ রে তোর বাড়ির সবাই কি তোর মতো কিপ্টে নাকি? দ্বিতীয় বন্ধু :ঠিক কিপ্টে না, হিসেবি! প্রথম বন্ধু :কেমন? দ্বিতীয় বন্ধু :যেমন ধরো, আমার কাকা, গত পরশুদিন বাসের সিটের উপর একটা কাশির সিরাপ পেয়েছে। তা অমন দামি সিরাপ তো আর ফেলে দেওয়া যায় না, তাই কাকা রাত ভর ঠাণ্ডার মধ্যে ছাদে শুয়েছিলেন, আজ ভোর থেকে শুরু হলো সে কি কাশি, এখন সিরাপটা কাজে লাগছে!