ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে গতকাল মুক্তি পেল বিশ্বব্যাপী সাড়া জাগানো ‘টোয়ালাইট’ সিরিজের শেষ ছবি ‘ব্রেকিং ডন পার্ট-টু’। বিল কনডন পরিচালিত এ ছবি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেয়েছিল গেল বছরের নভেম্বরে।
পাঁচ বছর আগের নভেম্বরেই মুক্তি পেয়েছিল সিরিজের প্রথম ছবি ‘টোয়ালাইট’। দেখতে দেখতে সেই সিরিজেরই পঞ্চম এবং শেষ ছবিও মুক্তি পেয়ে গেল। ভ্যাম্পায়ার এডওয়ার্ডের সঙ্গে মানবী বেলার অসম প্রেম। শুরুতেই বাজিমাত। সিরিজের প্রথম ছবি থেকে যে স্বপ্ন দেখে আসছে বেলা, সেই স্বপ্ন অবশেষে পূরণ হলো। মানবী থেকে সেও হয়ে গেল ভ্যাম্পয়ার। জন্ম নিল তাদের প্রথম সন্তান, রেনেসমি নামের ফুটফুটে এক মেয়ে। যে মেয়ে কিনা আধেক মানবী, আধেক ভ্যাম্পায়ার! ছোট্ট রেনেসমির মধ্যে দেখা যেতে থাকল অলৌকিক ক্ষমতা। বাবার মতোই যে প্রচণ্ড ক্ষিপ্রগতির। এই খবর পৌঁছে গেল ভ্যাম্পায়ার জগতের শাসক ভলটুরির কানে। তার ধারণা হলো, রেনেসমি আসলে জন্মসূত্রে ভ্যাম্পায়ার নয়। তাকে দংশন করে ভ্যাম্পায়ার বানানো হয়েছে, যা ভ্যাম্পায়ার দুনিয়ার আইনের ভয়াবহ লঙ্ঘন। তা ছাড়া রেনেসমি ‘অমর শিশু’। এটাও মেনে নেওয়া যায় না। ভলটুরি হলে গেল ভিলেন। তার লক্ষ্য রেনেসমিকে খুন করা। বেলা-এডওয়ার্ড কি পারবে তাদের সন্তানকে বাঁচাতে? এভাবেই এগিয়ে যায় ছবিটির গল্প।
