সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের ওপর তদন্তের ঘোষণা ওবামার

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৩, ২১:৩৩
সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর তার ওপর ব্যাপক তদন্তের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এছাড়া, সিরিয়ায় সরকারি সেনাদের রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে ‘সীমিত হলেও স্পষ্ট’ আলামত পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। এদিকে, জাতিসংঘের বান কি মুন পর্যবেক্ষক দলকে সিরিয়ায় প্রবেশের অনুমতির জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের কাছে নতুন করে আহবান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাষ্ট্র দুটি দেশেরই অভিযোগ, সিরিয়া সরকার স্নায়ু গ্যাস সারিন ব্যবহার করছে। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে ওবামা বলেন, সিরিয়ার জনগণের ওপর রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে বলে কয়েকটি প্রমাণ পাওয়া গেছে। গোয়েন্দাদের কাছ থেকে পাওয়া এসব রিপোর্টগুলো প্রাথমিক পর্যায়ের উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব অস্ত্র কিভাবে, কখন এবং কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে আমরা তা খতিয়ে দেখছি। বিষয়টি প্রমাণিত হলে দামেস্কের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণেরও হুমকি দেন ওবামা। যুক্তরাজ্যের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ক্যামেরুন সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার সিরিয়ায় হস্তক্ষেপ করার সীমারেখা বা ‘রেড লাইন’ হিসাবে গণ্য করার যে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে তোর সঙ্গে ক্যামেরনও একমত প্রকাশ করেছেন। এদিকে, রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর বান কি মুন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক দলকে সিরিয়ায় প্রবেশের অনুমতির জন্য প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের কাছে নতুন করে আহবান জানিয়েছেন। এর আগে গত মাসে সিরিয়ার সরকার ও বিদ্রোহীরা পরস্পরের বিরুদ্ধে খান আল-আসাল গ্রামে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ করে।