কবে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন? এই প্রশ্নের উত্তর নেই কারো কাছে। এমনকি বর্তমান বিসিবি’র এডহক কমিটিও জানে না কবে হবে বোর্ডের নির্বাচন। হাইকোর্টের রুল জারির কারণে সংশোধনী গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচনও করতে পারছেন না। কাল জেলা ও বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদকদের সাথে বৈঠকে বোর্ডও এর উত্তর দিতে পারেনি। কাল বৈঠক শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘গঠনতন্ত্রের ব্যাপারে আদালত যে নির্দেশনা দিবেন, সেটার উপর ভিত্তি করে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে’।
কিন্তু সময়মত নির্বাচন না হওয়ায় জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থাও বোর্ডের সমস্ত কর্মকাণ্ড থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এমনকি এই মৌসুমের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপও না হওয়ার হুমকি দিয়েছে তারা। তাই জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাথে কাল মতবিনিময় করেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। মতবিনিময় সভায় অবশ্য ফলপ্রসূ তেমন কিছুই হয়নি, তবে ধারণা করা যাচ্ছে, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার দাবি-দাওয়া তারা মানবেন। বোর্ডের নির্বাচন না হওয়ায় কাউন্সিলররা বেঁকে বসেছে। সংশোধনী গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ নতুন ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বেঁকে বসায় এই ফরম্যাটে খেলতে নারাজ জেলা ক্রীড়া সংস্থা। সংশোধনীতে রয়েছে, উপরের সারির ৩২ এবং নিচের সারির ৩২টি দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদোয়ান বলেন, ‘আমরা বলেছি পুরানো ফরম্যাটে যদি খেলা হয় তবে আমরা খেলবো। নতুবা খেলবো না। এছাড়া বোর্ডের এডহক কমিটি আমাদেরকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে। তবে বোর্ড সভাপতি আশ্বস্ত করেছেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কিছু হবে না’।
