নিখোঁজের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০১৩, ২২:৪৮
সাভারে ভবন ধসের ঘটনায় নিখোঁজের তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে। শত শত মানুষ খুঁজছেন তাদের প্রিয়জনকে। একবার ধসে পড়া রানা প্লাজার সামনে, আবার অধরচন্দ্র স্কুলের মাঠে। কোথাও না পেয়ে আবার ছুটছেন হাসপাতালগুলোতে। হঠাত্ কোন লাশ উদ্ধার হলেই হুমরি খেয়ে পড়ছেন নিখোঁজদের স্বজনরা। পরিস্থিতি সামলে নিতে প্রশাসন নিখোঁজের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত এই তালিকায় নাম লেখা পড়েছে ১ হাজার ৫০ জনের। অধরচন্দ্র স্কুলের গেটেই নিখোঁজদের ছবি দিয়ে টানানো হয়েছে কয়েকশ’ পোস্টার। প্রিয় মানুষের ছবি, নাম আর ঠিকানা লেখা আছে সে পোস্টারে। কোনো কোনো পোস্টারে লেখা আছে পরম আকুতি মাখা আবেদন। পড়লেই যেনো চোখ ছল ছল হয়ে ওঠে। ছবি হাতে এখান থেকে সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেউ কেউ। সামনে যাকে পাচ্ছেন, তার কাছেই জানাচ্ছেন আকুতি। অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তালিকা তৈরির দায়িত্বে থাকা সাভার থানার এসআই আলীম সরদার ইত্তেফাককে বলেন, ওই ভবনে কর্মকর্তা ও স্বজনদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী নিখোঁজদের প্রাথমিক তালিকা করা হয়। পরে স্বজনদের দেয়া আইডি কার্ড ও ছবি দেখে আমরা নাম নিখোঁজের তালিকায় লিপিবদ্ধ করছি। নিখোঁজদের তালিকাভুক্ত করার কাজ এখনো চলছে। বুধবার সকালে ধসে পড়া নয় তলা ভবন রানা প্লাজায় পাঁচটি পোশাক কারখানা ছিল। ভবনে ঠিক কত হাজার মানুষ ছিল এর সঠিক পরিসংখ্যান এখনো পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ভবনে প্রায় চার হাজার মানুষ ছিলেন। গতকাল পর্যন্ত ৩৪৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ২৪৫৯ জনকে। এর মধ্যে চতুর্থ দিন গতকাল ২৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে এখনও অনেক সংখ্যক মানুষ এই ধ্বংসস্তূপের মধ্যে চাপা পড়ে আছে। অধরচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। গতকাল বিকাল পর্যন্ত ৩৪৮ জনের মধ্যে ৩৪১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর ও মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে অনেকেই উদ্ধার তত্পরতায় ক্ষুব্ধ, হতাশ। প্রতিবাদে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে। পুরো উদ্যোগ আরও দ্রুত ও সুন্দরভাবে হতে পারতো বলে অনেকে জনিয়েছেন। তারা বলছেন, প্রশাসন আরও আন্তরিক হলে উদ্ধার কাজ আরও দ্রুত হতো। উদ্ধার কাজের চার দিন অতিবাহিত হওয়ায় প্রিয়জনের সন্ধান না পেয়ে অনেকেই ধারণা করছেন লাশ প্রশাসন সরিয়ে ফেলেছে। এমন ধারণা থেকে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন কেউ কেউ। বলছেন, জীবিত না হোক মৃত মানুষটাকেই ফিরিয়ে দিন। ছোট বোন নাসিমার খোঁজে আসা সুলতান মিয়া চারদিন ধরে বোনের খোঁজ না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেছেন। তিনি ক্ষোভের সুরে বললেন, ‘উদ্ধার করতে এতোক্ষণ লাগে নাকি? তারা লাশ গুম করার পাঁয়তারা করতেছে। না হলে জীবিত না হোক মৃত হলেও তো আমার বোনকে পাওয়া যাবে।’ উদ্ধার হওয়া এবং বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরা বলছেন, এখনও ধ্বংসস্তূপের ভিতরে সহস াধিক মানুষ বন্দি হয়ে আছেন। বেশিরভাগই স্তূপের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন। ভবন ধসের সময় বেঁচে গেলেও এই চার দিনে খুব কমলোকই বেঁচে আছে। সময় যত গড়াচ্ছে, বাতাসে লাশের গন্ধ ততোই তীব্র হচ্ছে। ক্ষীণ হয়ে আসছে আটকে পড়াদের বাঁচার শেষ সম্ভাবনা। ধসে পড়া ভবনের দেয়াল ও ছাদের কংক্রিটের সঙ্গে এখনও মিশে আছে চাপা পড়া মানুষের শত শত মৃতদেহ। কংক্রিটের খাঁজে খাঁজে পিষে থাকা লাশগুলো পচতে শুরু করেছে। ফলে পোকামাকড়ে খাচ্ছে লাশ। বাতাসে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। তবে ভবনের বিভিন্ন তলার দেয়াল ও কংক্রিটের ভাঙ্গা অংশ না সরানো পর্যন্ত বাকি লাশ উদ্ধার সম্ভব হবে না বলে জানান উদ্ধারকর্মীরা। ভবনের উপর ও বিভিন্ন পাশ থেকে সুড়ঙ্গ করে হাত-পা কেটে উদ্ধার করা হচ্ছে চাপা পড়া মানুষদের। গলিত লাশের উত্কট গন্ধে বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে। একাধিক উদ্ধারকর্মী জানিয়েছেন, বিরতিহীনভাবে স্থানীয়দের সহায়তায় সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, আনসার, দমকল, রেডক্রিসেন্ট ও বিজিবি সদস্যরা উদ্ধার কাজ করছেন। উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক লাশ। অনেককে জীবিত উদ্ধার করলেও দেখা গেছে হাত-পা কেটে বের করা হচ্ছে। ধসে পড়ার ৮২ ঘন্টা পরও ধ্বংসস্তূপের ভেতরে অসংখ্য প্রাণের আর্তনাদ শুনেছেন উদ্ধারকর্মীরা। তারা নানা কৌশল প্রয়োগ করে উদ্ধার তত্পরতা অব্যাহত রেখেছেন। ধসে পড়া ভবনের পূর্ব পাশের সিঁড়ির নিচে এখনও দেখা যাচ্ছে মানুষের মৃত দেহ। বহুতল ভবনের সিঁড়ি দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে আছে তাদের ওপর। এদের একজন কালো রঙ্গের প্যান্ট পড়া। উপুর হয়ে আছে। তার ওপর পুরো সিঁড়ি ধসে পড়ে বাকি শরীর আড়াল করে রেখেছে। এতে কোনভাবেই বোঝার উপায় নেই- তিনি পুরুষ না নারী। উদ্ধারকর্মীরা জানান, যে অংশটুকু দেখা যাচ্ছে সে অংশ কেটে বের করতে হবে। বাকি টুকু সম্ভব নয়। অন্যদিকে আরেক ব্যক্তির শুধু মাথা টুকু বের হয়ে আছে। কালচে হয়ে গেছে। ফুলে-ফেপে উঠেছে চোয়াল, কপাল। বাতাসে ছড়াচ্ছে উত্কট গন্ধ। ওই মৃতদেহগুলোর ওপর ভন ভন করছে অসংখ্য মাছি। ছেয়ে গেছে মোকা-মাকড়ে। আসা-যাওয়া করছে পিপড়ার একাধিক দীর্ঘ লাইনের মিছিল। তবে সময় যতো গড়াচ্ছে ততোই কমছে জীবিত কাউকে উদ্ধারের সম্ভাবনা। কারো কারো ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলেই অস্ত্রোপচার করে হাত-পা কেটে ফেলতে হয়েছে। কাউকে আবার হাসপাতালে আনার পর জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানান এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিত্সক ডা. হীরা। উদ্ধার কাজে অংশ নেয়া এক সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীরা বিভিন্ন তলায় বিরতিহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ধসে যাওয়া ভবনের তিন ও চার তলায় গিয়ে দেখা গেছে, কংক্রিট, লোহা, গার্মেন্টসের কাপড়, সুতোর টোটা, ফিতে লাশের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে। তিন তলার ওপরের তলাগুলো ভেঙ্গে দেবে গেলেও নিচের তলাগুলোর অবস্থা কি তা বুঝতে পারছেন না উদ্ধারকারীরা। শনিবার দুপুর দুইটা পর্যন্ত টানা চার দিন উদ্ধার কাজে সাধারণ যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। তবে দুপুরের পর থেকে ধসে যাওয়া ভবনের আশপাশের স্তূপ পরিষ্কার করতে ভারী যন্ত্র ব্যবহার করা শুরু হয়েছে। এছাড়া বেক্সিমকো ও ওরিয়ন গ্রুপের উচ্চ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ক্রেন আনা হলেও এখনও ব্যবহার শুরু করেনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেক্সিমকো গ্রুপের নির্বাহী (মেইনটেন্যান্স) মো. রাশেদ খান বলেন, ১৬০ ও ৭৫ টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন দুটি ক্রেন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ১১৫ ফুট উচ্চতায় কাজ করতে সক্ষম। তবে সেনাবাহিনীর সিগন্যাল ছাড়া ধসে পড়া ছাদ অপসারণের কাজ শুরু করা যায়নি। এ ব্যাপারে একজন সেনা কর্মকর্তা বলেন, এখনও ভেতরে অনেক জীবিত মানুষ রয়েছেন। তাই ছাদ অপসারণের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজের নির্দেশ দেয়া হয়নি। জীবিত উদ্ধার সমাপ্ত ঘোষণার পরই ভারী যন্ত্র ব্যবহার করা হবে। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে জীবিত মানুষ উদ্ধারের পর ভারী যন্ত্র ব্যবহার করতে হবে। গতকাল দুপুরে বৃষ্টি হলেও চলে উদ্ধারকাজ। এতে সহায়তার জন্য ত্রিপলসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র আগেই হাতের কাছে ছিল বলে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন। তবে বৃষ্টির কারণে সাভার অধর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃষ্টিতে ভোগান্তি পোহাতে হয় নিখোঁজদের স্বজনদের। সেখানে ত্রিপলসহ সামিয়ানার অভাব ছিল। মরদেহের ব্যাপারে পুলিশ জানিয়েছে, যাদের পরিচয় পাওয়া যাবে না তাদের ডিএনএ সংরক্ষণ করবে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের (ঢামেক) ফরেনসিক বিভাগ। স্বজনদের সঙ্গে ডিএনএ মিলিয়ে পরে তাদের শনাক্ত করা হবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশাসন এবং অর্থ) আব্দুস সালাম সাংবাদিকদের জানান, নয় তলা ভবনের ছাদ থেকে শুরু করে দুই তলা পর্যন্ত অনেকগুলো সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছে। এই সুড়ঙ্গ দিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ভেতরে গিয়ে জীবিত মানুষের খোঁজ করছেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আজ ৪৫ জন জীবিত মানুষের খোঁজ দিয়েছেন। এর মধ্যে ২৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিত্সক ডা. হীরা সাংবাদিকদের জানান, মারাত্মক আহতদের উদ্ধারের পর সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। এসব হতভাগ্যদের কারো কারো অঙ্গহানির আশঙ্কার কথাও জানান চিকিত্সকরা। স্বেচ্ছাসেবীদের দিকেই তাকিয়ে স্বজনরা জীবন বাঁচাতে সব তুচ্ছ করেই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা। ভবন ধসে পড়ার পর এই উদ্ধারকর্মীরাই হতাহতদের বাঁচানোর কাজটি শুরু করেন। এখন সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ফায়ার সার্ভিসসহ অন্য সংস্থাগুলোর কর্মীরা কাজ করলেও স্বেচ্ছাসেবী এই কর্মীদের তত্পরতা থেমে নেই। এদের অনেকে গত চারদিন ধরেই কাজ করছেন। শ শ’ স্বেচ্ছাসেবী এখনও রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে। বিভিন্ন ফাটল ধরে খুঁজছেন আটকে পড়াদের। জীবিত মানুষের সন্ধান মিললেই ছুটে যাচ্ছেন পানি, অক্সিজেন সিলিন্ডার আর লোহা-কংক্রিট কাটার যন্ত্র নিয়ে। স্বজন সন্ধানী শ’ শ’ মানুষ এই স্বেচ্ছাসেবীদের দিকেই তাকিয়ে আছেন, তারা নেমে এলেই ঘিরে জানতে চাইছেন, নতুন কোনো খবর মিলছে কি না। বোন সীমাকে খুঁজতে এসে এক নারীকে ছুটে আসতে দেখা গেল স্বেচ্ছাসেবীদের কাছে- ‘ভাই, আমার বোনকে একটু উদ্ধার করে দাও। তোমাদের মুখ থেকে বললেই আমার বোনরে পাবো। সে বাথরুমের পাশে একটি কক্ষে আটকানো রয়েছে। আপনারা একটু মাইকে ঘোষণা দিতে বলেন, আপনারাই আমাদের ভরসা।’ এর কিছুক্ষণ পরেই ঘোষণা এলো সীমাকে উদ্ধারের। বোনের খবর পেয়েই ছুটলেন সিএমএইচে, ওই হাসপাতালেই নেয়া হয়েছে সীমাকে। শনিবার দুপুর, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি নিয়ে বিধ্বস্ত ভবনের সামনে চিকিত্সকদের কাছে উপুড় হয়ে ছিলেন সুঠাম দেহের যুবক এজাজুদ্দিন (৩০)। তার গেঞ্জিতে তখনো লেগে আছে ইট-সুরকির ধুলা, যেন যুদ্ধাহত এক সৈনিক। বিধ্বস্ত ভবনে উদ্ধার কাজ থেকে নেমে এসেছিলেন এজাজ, পা থেকে তখন রক্ত ঝরছিল। ২০/২৫ মিনিটের সেবায় সেরে উঠে ফের হাসিমুখে আবার নেমে পড়ার প্রত্যয়। কাজ করার সময় পায়ে আঘাত পান এজাজ, কীসের আঘাত তাও বুঝতে পারেননি। যখন দেখলেন, তখন চিকিত্সার জন্য নিচে নেমে আসেন। এজাজ বলেন, ‘তিনদিন হল উদ্ধার কাজে নেমেছি। মাঝে মাঝে দেহের শক্তির কাছে হেরে যাই। ঝুঁকি আছে, ভেতরে বেশ দুর্গন্ধও। তারপরও একটি প্রাণের আশায় খুঁজে ফিরছি।’ শেষ মানুষ পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে সাভারের ভবন ধসের চতুর্থ দিনেও উদ্ধারকারীরা আশা করছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও জীবিত মানুষ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এখনই ভবন সরানোর কাজে হাত দিচ্ছেন না। গতকাল উদ্ধারকাজে নিয়োজিত মেজর জেনারেল সোহরাওয়ার্দী বলেছেন, ‘শেষ জীবিত মানুষটির উদ্ধার করা পর্যন্ত অপেক্ষা করব। বড় ধরনের অভিযানে আমরা এখন যাচ্ছি না। রাতে এই বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হবে। জীবিত শেষ ব্যক্তিটিকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে বলে সরকারের নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছে উদ্ধার কাজে নেতৃত্ব দেয়া সামরিক বাহিনী।’ অন্যদিকে ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, তারা সাভারের উদ্ধার তত্পরতায় লাশের চেয়ে জীবিত মানুষকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনার বিষয়েই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস তথ্যকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, যতদিন জীবিত মানুষ পাওয়া যাবে ততদিন উদ্ধারকাজ চলবে।